১০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘শয়তান’ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছে রাশিয়া

পারমাণবিক অস্ত্রবাহী অত্যাধুনিক নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র দ্য আরএস-২৮ সারমাত ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছে রাশিয়া। গতকাল শুক্রবার রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে পশ্চিমা বিশ্লেষকরা এ ক্ষেপণাস্ত্রটিকে সাতান ২ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। হিব্রু পরিভাষায় সাতান বলতে শয়তানকে বোঝায়।

এ ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে রসকসমস প্রধান ইউরি বোরিসভ বলেন, সারমাত সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, এই কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে শত্রুরা আমাদের ব্যাপারে দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য হবে।

রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুতনিক নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, সারমাতের ধ্বংস করার ক্ষমতার কারণে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০১৮ সালে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেন। এরমধ্যে একটি হলো দ্য আরএস-২৮ সারমাত ক্ষেপণাস্ত্র। ২০২২ সালে এপ্রিলের শেষ দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালানো হয়।

রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দ্য আরএস-২৮ সারমাত ২০০ টনের বেশি ওজন বহন করতে পারে। এরমধ্যে একাধিক ওয়্যারহেড সংযোগ করা সম্ভব। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যাওয়ার মতো করে ডিজাইন করা হয়েছে এ ক্ষেপণাস্ত্রটিকে।

চলতি বছরের শুরুতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার কথা জানানোর পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান আলেক্সি ঝুরাভলিভ এই ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করে হুমকি দিয়েছিলেন।

ন্যাটো দ্য আরএস-২৮ সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রকে এসএস-এক্স-২৯ অথবা এসএস-এক্স-৩০ হিসেবে আখ্যায়িত করে। তবে পশ্চিমা গণমাধ্যম এটিকে সাতান ২ নামে আখ্যায়িত করেছে। এর আগে ন্যাটো রাশিয়া আর-৩৬ এম সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রের নাম এএস-১৬ সাতান হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এরপর থেকেই সাতান নামটির ব্যবহার শুরু হয়।

‘শয়তান’ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছে রাশিয়া

আপডেট : ০৯:২৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পারমাণবিক অস্ত্রবাহী অত্যাধুনিক নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র দ্য আরএস-২৮ সারমাত ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছে রাশিয়া। গতকাল শুক্রবার রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে পশ্চিমা বিশ্লেষকরা এ ক্ষেপণাস্ত্রটিকে সাতান ২ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। হিব্রু পরিভাষায় সাতান বলতে শয়তানকে বোঝায়।

এ ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে রসকসমস প্রধান ইউরি বোরিসভ বলেন, সারমাত সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, এই কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে শত্রুরা আমাদের ব্যাপারে দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য হবে।

রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুতনিক নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, সারমাতের ধ্বংস করার ক্ষমতার কারণে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০১৮ সালে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেন। এরমধ্যে একটি হলো দ্য আরএস-২৮ সারমাত ক্ষেপণাস্ত্র। ২০২২ সালে এপ্রিলের শেষ দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালানো হয়।

রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দ্য আরএস-২৮ সারমাত ২০০ টনের বেশি ওজন বহন করতে পারে। এরমধ্যে একাধিক ওয়্যারহেড সংযোগ করা সম্ভব। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যাওয়ার মতো করে ডিজাইন করা হয়েছে এ ক্ষেপণাস্ত্রটিকে।

চলতি বছরের শুরুতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার কথা জানানোর পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান আলেক্সি ঝুরাভলিভ এই ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করে হুমকি দিয়েছিলেন।

ন্যাটো দ্য আরএস-২৮ সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রকে এসএস-এক্স-২৯ অথবা এসএস-এক্স-৩০ হিসেবে আখ্যায়িত করে। তবে পশ্চিমা গণমাধ্যম এটিকে সাতান ২ নামে আখ্যায়িত করেছে। এর আগে ন্যাটো রাশিয়া আর-৩৬ এম সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রের নাম এএস-১৬ সাতান হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এরপর থেকেই সাতান নামটির ব্যবহার শুরু হয়।