ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দিল্লিতে হাসিনা-মোদি বৈঠকের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪২৯ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জি-২০’র শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই বৈঠকের সময় এখনও নির্ধারিত নয়। তবে শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে তিস্তা, গঙ্গাসহ অভিন্ন নদীর পানির ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘের পানি সম্মেলনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বিষয়ক আলোচনা সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘আমরা সব সময় তিস্তা নদীর যে হিস্যা সেটা নিয়ে আলোচনা করে এসেছি বা আলোচনায় রেখেছি। এবারও আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটা বলবেন।’

বিশ্বের শিল্পোন্নত ও বিকাশমান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর হতে যাচ্ছে ভারতের নয়াদিল্লিতে। এই সম্মেলনে এবার স্বাগতিক দেশ ভারত। সম্মেলন চলাকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অংশগ্রহণকারী গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও প্রতিবেশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

সম্মেলন উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা ভারত সফর করবেন। জি-২০ জোটের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভারত আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাবে। সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশ ছাড়াও কয়েকটি দেশের প্রধানদের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে।

জি-২০ সম্মেলনের ব্যস্ত সময়সূচির ফাঁকে শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উচ্চ-পর্যায়ের সম্মেলন শেষে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথেও বৈঠক করবেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি তার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাইডেন ও ম্যাক্রোঁর জন্য নৈশভোজ ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনে আগ্রহী। কিন্তু অনুষ্ঠানের সময়সূচি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতে শুক্রবার কখন পৌঁছাবেন তার ওপর নির্ভর করছে।

এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, জি-২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি সফর করবেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ৮ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। আর আগামী শনিবার ও রোববার জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। সম্মেলনে তিনি ও জি-২০’র অংশীদাররা পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে স্থানান্তর এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করবেন।

এদিকে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, জি-২০ সম্মেলন শেষে বাংলাদেশ সফরে যাবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। আগামী রবিবার ঢাকার উদ্দেশে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন তিনি।

এবারের সম্মেলনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা ধরনের প্রভাব প্রশমনের পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বনেতারা আলোচনা করবেন। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আরও ভালোভাবে লড়াইয়ের জন্য বিশ্বব্যাংকসহ বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে হাসিনা-মোদি বৈঠকের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ১২:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

জি-২০’র শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই বৈঠকের সময় এখনও নির্ধারিত নয়। তবে শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে তিস্তা, গঙ্গাসহ অভিন্ন নদীর পানির ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘের পানি সম্মেলনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার বিষয়ক আলোচনা সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘আমরা সব সময় তিস্তা নদীর যে হিস্যা সেটা নিয়ে আলোচনা করে এসেছি বা আলোচনায় রেখেছি। এবারও আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটা বলবেন।’

বিশ্বের শিল্পোন্নত ও বিকাশমান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর হতে যাচ্ছে ভারতের নয়াদিল্লিতে। এই সম্মেলনে এবার স্বাগতিক দেশ ভারত। সম্মেলন চলাকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অংশগ্রহণকারী গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও প্রতিবেশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

সম্মেলন উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা ভারত সফর করবেন। জি-২০ জোটের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভারত আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাবে। সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশ ছাড়াও কয়েকটি দেশের প্রধানদের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে।

জি-২০ সম্মেলনের ব্যস্ত সময়সূচির ফাঁকে শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উচ্চ-পর্যায়ের সম্মেলন শেষে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথেও বৈঠক করবেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি তার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাইডেন ও ম্যাক্রোঁর জন্য নৈশভোজ ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনে আগ্রহী। কিন্তু অনুষ্ঠানের সময়সূচি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতে শুক্রবার কখন পৌঁছাবেন তার ওপর নির্ভর করছে।

এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, জি-২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি সফর করবেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ৮ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। আর আগামী শনিবার ও রোববার জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। সম্মেলনে তিনি ও জি-২০’র অংশীদাররা পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে স্থানান্তর এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করবেন।

এদিকে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, জি-২০ সম্মেলন শেষে বাংলাদেশ সফরে যাবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। আগামী রবিবার ঢাকার উদ্দেশে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন তিনি।

এবারের সম্মেলনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা ধরনের প্রভাব প্রশমনের পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বনেতারা আলোচনা করবেন। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আরও ভালোভাবে লড়াইয়ের জন্য বিশ্বব্যাংকসহ বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস