১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ৩৭ কোটি ডলার

চলতি বছরের জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে প্রবাসী আয় কমেছে। পাশাপাশি গত বছরের আগস্টের তুলনায়ও চলতি বছরের আগস্ট মাসের প্রবাসী আয়ও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ১৬০ কোটি ডলার। গত বছরের (২০২২) আগস্টে প্রবাসী আয় এসেছিল ২০৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ একই সময়ে প্রবাসী আয় কমেছে ৪৪ কোটি ডলার।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জুলাই মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৯৭ কোটি ডলার। এক মাসের ব্যবধানে প্রবাসী আয় কমেছে ৩৭ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক বলেন, এক মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কেন কমেছে তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। দুটো ঈদ গেল, সব মিলিয়ে হয়তো আগস্ট মাসে রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। পরের মাস থেকে হয়তো ঠিক হবে।

এদিকে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স (এবিবি) গত বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর দাম বাড়ানো হয়েছে ডলারের। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো আমদানিকারকদের কাছে প্রতি ডলার বিক্রি করছে ১১০ টাকায়। আগে আমদানি দায় মেটানোর জন্য ব্যাংকগুলো আমদানিকারকদের কাছে প্রতি ডলার ১০৯ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করছিল।

পাশাপাশি পণ্য বা সেবা রপ্তানি ও প্রবাসী আয় কেনায় ডলারের দাম হয়েছে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। আগে ব্যাংকগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসীদের প্রতি ডলারের জন্য ১০৯ টাকা এবং রপ্তানিকারকদের প্রতি ডলারের জন্য ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দিয়ে আসছিল।

তবে খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৭–১১৮ টাকায়। ব্যাংক ও খোলা বাজারে ডলারের দামের বেশ পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে।

মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ৩৭ কোটি ডলার

আপডেট : ০৭:৪৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

চলতি বছরের জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে প্রবাসী আয় কমেছে। পাশাপাশি গত বছরের আগস্টের তুলনায়ও চলতি বছরের আগস্ট মাসের প্রবাসী আয়ও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ১৬০ কোটি ডলার। গত বছরের (২০২২) আগস্টে প্রবাসী আয় এসেছিল ২০৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ একই সময়ে প্রবাসী আয় কমেছে ৪৪ কোটি ডলার।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জুলাই মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৯৭ কোটি ডলার। এক মাসের ব্যবধানে প্রবাসী আয় কমেছে ৩৭ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক বলেন, এক মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কেন কমেছে তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। দুটো ঈদ গেল, সব মিলিয়ে হয়তো আগস্ট মাসে রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। পরের মাস থেকে হয়তো ঠিক হবে।

এদিকে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স (এবিবি) গত বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর দাম বাড়ানো হয়েছে ডলারের। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো আমদানিকারকদের কাছে প্রতি ডলার বিক্রি করছে ১১০ টাকায়। আগে আমদানি দায় মেটানোর জন্য ব্যাংকগুলো আমদানিকারকদের কাছে প্রতি ডলার ১০৯ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করছিল।

পাশাপাশি পণ্য বা সেবা রপ্তানি ও প্রবাসী আয় কেনায় ডলারের দাম হয়েছে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। আগে ব্যাংকগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসীদের প্রতি ডলারের জন্য ১০৯ টাকা এবং রপ্তানিকারকদের প্রতি ডলারের জন্য ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দিয়ে আসছিল।

তবে খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৭–১১৮ টাকায়। ব্যাংক ও খোলা বাজারে ডলারের দামের বেশ পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে।