১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল বাংলাদেশ

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট : ০৪:৫২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৪৭ দেখেছেন

চলতি এশিয়া কাপে সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে ব্যর্থ হওয়া টাইগাররা এদিন বল হাতেও কঠিন পরীক্ষা নিতে পারেনি বাবর-রিজওয়ানদের। ইমাম-উল-হক ও রিজওয়ানের ফিফটিতে ৬৩ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

বাংলাদেশের দেয়া ১৯৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ধীরগতির শুরু করে পাকিস্তানের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ৫৫ বলে ৩৭ রান সংগ্রহ করেন ফখর জামান ও ইমাম। ৩১ বলে ২০ রান করা ফখর জামানকে প্যাভিলিয়নে ফেরান শরীফুল ইসলাম। পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমকেও এদিন বড় ইনিংস খেলতে দেয়নি টাইগার বোলাররা।

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে শূন্য রানে আউট হয়ে লজ্জার রেকর্ড গড়েছেন মিরাজ। ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো গোল্ডেন ডাক পেলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। নাসিম শাহর বলে আউট হওয়ার মধ্য দিয়ে এই প্রথম ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম বলে আউট হন তিনি।

পেসার তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বাবর। একপ্রান্ত আগলে রাখা ইমাম-উল-হক জুটি গড়েন রিজওয়ানকে নিয়ে। এই দুই ব্যাটারের ব্যাট থেকে তৃতীয় উইকেটে আসে ৮৫ রানের জুটি। ৭৮ রান করা ইমামকে প্যাভিলিয়নে ফেরান মিরাজ।

ইমাম-উল-হক আউট হলেও ফিফটি তুলে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান রিজওয়ান। ৭৯ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন, শরীফুল ও মিরাজ ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

এর আগে, টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। লিটন দাস দলে ফিরলেও এদিন ওপেনিংয়ে নামেন মিরাজ। আগের ম্যাচে শতক হাঁকানো এই ক্রিকেটার এদিন রানের খাতাই খুলতে পারেননি। প্রথম বলেই নাসিম শাহকে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন। শান্তর পরিবর্তে দলে ঢুকে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি লিটন। শাহীন আফ্রিদির বলে খোঁচা মেরে রিজওয়ানকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

২৫ বলে ২০ রান করা নাঈম শেখ আউট হন হারিস রউফের বলে। পাক পেসারের প্রথম ওভারে উচ্চাবিলাসী শট খেলতে গেলে বল ভেসে যায় হাওয়ায়। পাকিস্তানের এই পেসার আউট করেছেন হৃদয়কেও। দুরন্ত গতির বলে আড়াআড়ি ব্যাটে খেলতে গিয়ে মাত্র ২ রানে বোল্ড হন হৃদয়। পাওয়ার প্লে’তেই বাংলাদেশ হারায় ৪ উইকেট।

শুরুর চাপ সামলে পঞ্চম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। ১২০ বলে ১০০ রানের জুটি গড়েন সাকিব-মুশি। সাকিব তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৪তম অর্ধশত। তবে অর্ধশত হাঁকানোর কিছুক্ষণ পরই আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৫৭ বলে ৭টি চারে ৫৩ রান করে থামেন তিনি।

সাকিবের পর ব্যাট হাতে অর্ধ-শতকের দেখা পান মুশফিকও। দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকা অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার ৬৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরলে আবারও ধস নামে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে। শামীম হোসেন, আফিফ কেউই দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ১৯৩ রানে বাংলাদেশের ইনিংস।

সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল বাংলাদেশ

আপডেট : ০৪:৫২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

চলতি এশিয়া কাপে সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে ব্যর্থ হওয়া টাইগাররা এদিন বল হাতেও কঠিন পরীক্ষা নিতে পারেনি বাবর-রিজওয়ানদের। ইমাম-উল-হক ও রিজওয়ানের ফিফটিতে ৬৩ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

বাংলাদেশের দেয়া ১৯৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ধীরগতির শুরু করে পাকিস্তানের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ৫৫ বলে ৩৭ রান সংগ্রহ করেন ফখর জামান ও ইমাম। ৩১ বলে ২০ রান করা ফখর জামানকে প্যাভিলিয়নে ফেরান শরীফুল ইসলাম। পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমকেও এদিন বড় ইনিংস খেলতে দেয়নি টাইগার বোলাররা।

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে শূন্য রানে আউট হয়ে লজ্জার রেকর্ড গড়েছেন মিরাজ। ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো গোল্ডেন ডাক পেলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। নাসিম শাহর বলে আউট হওয়ার মধ্য দিয়ে এই প্রথম ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম বলে আউট হন তিনি।

পেসার তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বাবর। একপ্রান্ত আগলে রাখা ইমাম-উল-হক জুটি গড়েন রিজওয়ানকে নিয়ে। এই দুই ব্যাটারের ব্যাট থেকে তৃতীয় উইকেটে আসে ৮৫ রানের জুটি। ৭৮ রান করা ইমামকে প্যাভিলিয়নে ফেরান মিরাজ।

ইমাম-উল-হক আউট হলেও ফিফটি তুলে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান রিজওয়ান। ৭৯ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন, শরীফুল ও মিরাজ ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

এর আগে, টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। লিটন দাস দলে ফিরলেও এদিন ওপেনিংয়ে নামেন মিরাজ। আগের ম্যাচে শতক হাঁকানো এই ক্রিকেটার এদিন রানের খাতাই খুলতে পারেননি। প্রথম বলেই নাসিম শাহকে উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন। শান্তর পরিবর্তে দলে ঢুকে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি লিটন। শাহীন আফ্রিদির বলে খোঁচা মেরে রিজওয়ানকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

২৫ বলে ২০ রান করা নাঈম শেখ আউট হন হারিস রউফের বলে। পাক পেসারের প্রথম ওভারে উচ্চাবিলাসী শট খেলতে গেলে বল ভেসে যায় হাওয়ায়। পাকিস্তানের এই পেসার আউট করেছেন হৃদয়কেও। দুরন্ত গতির বলে আড়াআড়ি ব্যাটে খেলতে গিয়ে মাত্র ২ রানে বোল্ড হন হৃদয়। পাওয়ার প্লে’তেই বাংলাদেশ হারায় ৪ উইকেট।

শুরুর চাপ সামলে পঞ্চম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। ১২০ বলে ১০০ রানের জুটি গড়েন সাকিব-মুশি। সাকিব তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৪তম অর্ধশত। তবে অর্ধশত হাঁকানোর কিছুক্ষণ পরই আউট হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৫৭ বলে ৭টি চারে ৫৩ রান করে থামেন তিনি।

সাকিবের পর ব্যাট হাতে অর্ধ-শতকের দেখা পান মুশফিকও। দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকা অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার ৬৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরলে আবারও ধস নামে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে। শামীম হোসেন, আফিফ কেউই দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ১৯৩ রানে বাংলাদেশের ইনিংস।