ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অনুভূতিতে আঘাত করা পোশাক পরলেই জেল!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪২৬ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পোশাক ও বক্তব্য নিয়ে কঠোর হতে যাচ্ছে চীন। এখন থেকে দেশটির মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হানে, এমন কোনো পোশাক পরলে দিতে হবে জরিমানা। এমনকি যেতে হতে পারে কারাগারেও। বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই আইন প্রযোজ্য হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া বানানো হয়ে গেছে। তবে এখনো খসড়ার বিস্তারিত জানা যায়নি। এ নিয়ে দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে শুরু হয়েছে আলোচনা ও সমালোচনা।

সম্প্রতি জননিরাপত্তায় নতুন আইন প্রস্তাব করা হয়েছে চীনে। গত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম এমন প্রস্তাব আনা হলো দেশটিতে। তবে পোশাক নীতি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, আরও যাচাই-বাছাই করেই যেন আইনটি কার্যকর হয়।

পোশাক সংক্রান্ত আইনের ব্যাপারে বিস্তারিত জানা না গেলেও, শাস্তির বিধান এরই মধ্যে সংবাদমাধ্যমের হাতে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, চীন জাতির অনুভূতিতে আঘাত করে, এমন পোশাক কেউ পরলে বা জোর করে অন্য কাউকে পরালে ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া জরিমানা হতে পারে ৬৮০ মার্কিন ডলার।

বিভিন্ন স্থানে বক্তব্য দেওয়া ও কোথাও নিবন্ধ লেখার সময়ও চীন জাতির অনুভূতিতে আঘাত করলে একই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তবে কোন কোন পোশাকে ও লেখায় অনুভূতিতে আঘাত আসবে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

টুইটারের মতো সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ওয়েইবোতে এক ব্যবহারকারী বলেন, স্যুট ও টাই পরলে কি হবে? মার্কসবাদ শুরু হয়েছে পশ্চিমে। এবার চীনে যদি এই মার্কসবাদ নিয়ে কথা বলা হয়, তাহলে কি জাতির চেতনায় আঘাত হানবে?

এমনকি চীনের আইন বিশেষজ্ঞরাও এ নিয়ে সমালোচনা করছেন। এত সমালোচনার মধ্যেও চীন সরকার এই আইন কার্যকর করে কিনা, সেটিই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

অনুভূতিতে আঘাত করা পোশাক পরলেই জেল!

আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পোশাক ও বক্তব্য নিয়ে কঠোর হতে যাচ্ছে চীন। এখন থেকে দেশটির মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হানে, এমন কোনো পোশাক পরলে দিতে হবে জরিমানা। এমনকি যেতে হতে পারে কারাগারেও। বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই আইন প্রযোজ্য হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া বানানো হয়ে গেছে। তবে এখনো খসড়ার বিস্তারিত জানা যায়নি। এ নিয়ে দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে শুরু হয়েছে আলোচনা ও সমালোচনা।

সম্প্রতি জননিরাপত্তায় নতুন আইন প্রস্তাব করা হয়েছে চীনে। গত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম এমন প্রস্তাব আনা হলো দেশটিতে। তবে পোশাক নীতি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, আরও যাচাই-বাছাই করেই যেন আইনটি কার্যকর হয়।

পোশাক সংক্রান্ত আইনের ব্যাপারে বিস্তারিত জানা না গেলেও, শাস্তির বিধান এরই মধ্যে সংবাদমাধ্যমের হাতে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, চীন জাতির অনুভূতিতে আঘাত করে, এমন পোশাক কেউ পরলে বা জোর করে অন্য কাউকে পরালে ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া জরিমানা হতে পারে ৬৮০ মার্কিন ডলার।

বিভিন্ন স্থানে বক্তব্য দেওয়া ও কোথাও নিবন্ধ লেখার সময়ও চীন জাতির অনুভূতিতে আঘাত করলে একই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তবে কোন কোন পোশাকে ও লেখায় অনুভূতিতে আঘাত আসবে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

টুইটারের মতো সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ওয়েইবোতে এক ব্যবহারকারী বলেন, স্যুট ও টাই পরলে কি হবে? মার্কসবাদ শুরু হয়েছে পশ্চিমে। এবার চীনে যদি এই মার্কসবাদ নিয়ে কথা বলা হয়, তাহলে কি জাতির চেতনায় আঘাত হানবে?

এমনকি চীনের আইন বিশেষজ্ঞরাও এ নিয়ে সমালোচনা করছেন। এত সমালোচনার মধ্যেও চীন সরকার এই আইন কার্যকর করে কিনা, সেটিই দেখার বিষয়।