ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জ্বালানির বাজারে স্থিতিশীলতা রাখতে সম্মত পুতিন-সালমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪২৮ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) এক ফোনকলের সময় এই সম্মতি প্রকাশ করেন তারা।

আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনসহ অভিন্ন স্বার্থের বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন সৌদি প্রিন্স সালমান এবং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

এসময় অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সৌদির আগ্রহ এবং ব্রিকস দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা নিয়েও কথোপকথন হয়।

সৌদি ও রাশিয়ার মধ্যে বিশিষ্ট দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনা করেন তারা।

ধারণা করা হয়েছিল, আগামী অক্টোবর পর্যন্ত তেলের উৎপাদন কমাবে বিশ্বের শীর্ষ দুই রপ্তানিকারক সৌদি আরব ও রাশিয়া। কিন্তু আসছে ডিসেম্বর পর্যন্ত তা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে তারা। বিনিয়োগকারীদের কাছে যা অপ্রত্যাশিত।

চলতি বছরের শেষ মাস ডিসেম্বর পর্যন্ত দৈনিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল করে তেল উত্তোলন কমিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি। আর ৩ লাখ ব্যারেল করে উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে রাশিয়া। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। এরই মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সম্মত হলেন সৌদি প্রিন্স সালমান এবং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

এর আগে গত সোমবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। সেখানে কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে পুনরায় ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রপ্তানির বিষয়ে আলোচনা হয়।

গত জুলাইয়ে কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে খাদ্যশস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় রাশিয়া। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে আবার খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়াসহ প্রায় গোটা বিশ্বে খাদ্য সংকট দূর করার জন্য রাশিয়াকে পুনরায় ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির বিষয়ে রাজি করাতে চাচ্ছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। সেই সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানির বাজারে স্থিতিশীলতা রাখতে সম্মত পুতিন-সালমান

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) এক ফোনকলের সময় এই সম্মতি প্রকাশ করেন তারা।

আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনসহ অভিন্ন স্বার্থের বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন সৌদি প্রিন্স সালমান এবং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

এসময় অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সৌদির আগ্রহ এবং ব্রিকস দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা নিয়েও কথোপকথন হয়।

সৌদি ও রাশিয়ার মধ্যে বিশিষ্ট দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনা করেন তারা।

ধারণা করা হয়েছিল, আগামী অক্টোবর পর্যন্ত তেলের উৎপাদন কমাবে বিশ্বের শীর্ষ দুই রপ্তানিকারক সৌদি আরব ও রাশিয়া। কিন্তু আসছে ডিসেম্বর পর্যন্ত তা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে তারা। বিনিয়োগকারীদের কাছে যা অপ্রত্যাশিত।

চলতি বছরের শেষ মাস ডিসেম্বর পর্যন্ত দৈনিক ১ মিলিয়ন ব্যারেল করে তেল উত্তোলন কমিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি। আর ৩ লাখ ব্যারেল করে উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে রাশিয়া। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। এরই মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সম্মত হলেন সৌদি প্রিন্স সালমান এবং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

এর আগে গত সোমবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। সেখানে কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে পুনরায় ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রপ্তানির বিষয়ে আলোচনা হয়।

গত জুলাইয়ে কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে খাদ্যশস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় রাশিয়া। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে আবার খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়াসহ প্রায় গোটা বিশ্বে খাদ্য সংকট দূর করার জন্য রাশিয়াকে পুনরায় ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির বিষয়ে রাজি করাতে চাচ্ছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। সেই সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।