১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিরোধীদের সাজা দিয়ে মাঠ শূন্য করার চক্রান্ত চলছে : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে রাজনীতির ময়দান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে সরকার। এ উদ্দেশে ইতোমধ্যে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমানসহ বিভিন্ন শীর্ষনেতাদের সাজা দেওয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলা নেতাদের বিরুদ্ধেও পুরোনো মামলা সচল করে দ্রুত নিষ্পত্তি করে সাজা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনকে মৃত্যদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে এই সব কথা বলেন ফখরুল। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই মাহফিলের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালাম।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার আদালতকে ব্যবহার করে বিচারের নামে প্রহসন করছে। তারা অবৈধ ক্ষমতাকে স্থায়ী করতে আবারও পাতানো নির্বাচন করতে হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘অবাধ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য গণতন্ত্রকামী রাষ্ট্রগুলো যখন স্যাংশনসহ ভিসা নীতি আরোপ করছে, দেশের মানুষ যখন নিজ অধিকার আদায়ে জেগে উঠছে, বিশেষ করে ঢাকার রাজপথ যখন জনগণ দখল নিতে শুরু করেছে, তখনই আবার শুরু হয়েছে দমননীতি। শুরু হয়েছে গায়েবি মামলা। যে কর্মীকে গতকাল আটক করা হয়েছে তাকে আজকের একটি সহিংসতার মামলায় আসামি করা হচ্ছে। এগুলো করে সরকার এ দেশ থেকে বিরোধী দল নির্মূল করতে চায়।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রতিদিন হাজারো নেতাকর্মীকে হাজিরা দিতে আদালতে আসতে হয়। নিয়মিত হাজিরা দিলেও তাদের আটক করা হচ্ছে। এগুলো করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না, মানুষ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। জাতীয় পার্টিও বলছে বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সবকিছু হারিয়ে আওয়ামী লীগ এখন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কিছু কিছু সম্পাদক বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক সরকারকে ডিপেন্ট করে কথা বলছেন। গণতন্ত্রের সবক দিচ্ছেন। সেই সবক দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। আমি তাদের আহবান করবো আপনারা জনগণের কাতারে আসুন। জনগণ কি চায় তা শুনুন।’ তিনি বলেন, ‘সরকারের রাখাল বালকের কথা এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না। সময় থাকতে পদত্যাগ করেন। অল্পদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত আন্দোলন শুরু হচ্ছে। আর এ আন্দোলনে ঢাকা মহানগর বিএনপিকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’

বিরোধীদের সাজা দিয়ে মাঠ শূন্য করার চক্রান্ত চলছে : মির্জা ফখরুল

আপডেট : ০১:২৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে রাজনীতির ময়দান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে সরকার। এ উদ্দেশে ইতোমধ্যে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমানসহ বিভিন্ন শীর্ষনেতাদের সাজা দেওয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলা নেতাদের বিরুদ্ধেও পুরোনো মামলা সচল করে দ্রুত নিষ্পত্তি করে সাজা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনকে মৃত্যদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে এই সব কথা বলেন ফখরুল। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই মাহফিলের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালাম।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার আদালতকে ব্যবহার করে বিচারের নামে প্রহসন করছে। তারা অবৈধ ক্ষমতাকে স্থায়ী করতে আবারও পাতানো নির্বাচন করতে হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘অবাধ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য গণতন্ত্রকামী রাষ্ট্রগুলো যখন স্যাংশনসহ ভিসা নীতি আরোপ করছে, দেশের মানুষ যখন নিজ অধিকার আদায়ে জেগে উঠছে, বিশেষ করে ঢাকার রাজপথ যখন জনগণ দখল নিতে শুরু করেছে, তখনই আবার শুরু হয়েছে দমননীতি। শুরু হয়েছে গায়েবি মামলা। যে কর্মীকে গতকাল আটক করা হয়েছে তাকে আজকের একটি সহিংসতার মামলায় আসামি করা হচ্ছে। এগুলো করে সরকার এ দেশ থেকে বিরোধী দল নির্মূল করতে চায়।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রতিদিন হাজারো নেতাকর্মীকে হাজিরা দিতে আদালতে আসতে হয়। নিয়মিত হাজিরা দিলেও তাদের আটক করা হচ্ছে। এগুলো করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না, মানুষ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। জাতীয় পার্টিও বলছে বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সবকিছু হারিয়ে আওয়ামী লীগ এখন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কিছু কিছু সম্পাদক বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক সরকারকে ডিপেন্ট করে কথা বলছেন। গণতন্ত্রের সবক দিচ্ছেন। সেই সবক দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। আমি তাদের আহবান করবো আপনারা জনগণের কাতারে আসুন। জনগণ কি চায় তা শুনুন।’ তিনি বলেন, ‘সরকারের রাখাল বালকের কথা এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না। সময় থাকতে পদত্যাগ করেন। অল্পদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত আন্দোলন শুরু হচ্ছে। আর এ আন্দোলনে ঢাকা মহানগর বিএনপিকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’