০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে স্যালাইন সংকটে ভোগান্তিতে রোগীরা

লক্ষ্মীপুরে এক মাস ধরে তীব্র স্যালাইন সংকট চলছে। এতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভোগান্তিত পড়ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ফার্মেসিগুলোয় স্যালাইন নেই বললেই চলে। সরবরাহ সংকটের কারণে স্যালাইনের দাম বেড়ে গেছে দুই থেকে তিনগুণ।

ফার্মেসি ব্যবসায়ী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, স্যালাইনের প্রকট সংকট রয়েছে। ডেঙ্গু রোগীর কারণে বাজারে স্যালাইনের চাহিদা বেশি। কিন্তু ফার্মেসিগুলোয় এই মুহূর্তে স্যালাইন নেই। সরবরাহকারীরা ঠিকমতো স্যালাইন সরবরাহ করছে না। ৯০ টাকার স্যালাইন ২০০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা ফার্মেসিতে গিয়ে স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না। যেখানে প্রতিদিন রোগীদের স্যালাইন দিতে হয়, সেখানে দুয়েকটি স্যালাইন পাওয়া গেলেও দ্বিগুন বা তিনগুন দাম দিয়ে কিনতে হয়।

স্থানীয় স্টার কেএস হসপিটালের আরএমও ডা. তানজির ইসলাম রবিন বলেন, স্যালাইন সংকটের কারণে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দ্রুত এই সংকট না কাটলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, সাধারণ স্যালাইন শুধু ডেঙ্গুই না সিজার, সার্জারি, ডায়ালাইসিসসহ বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। ডেঙ্গু রোগী বেড়ে যাওয়ায় স্যালাইনের সংকটে অন্যান্য রোগের চিকিৎসাও ব্যাহত হচ্ছে। তাই ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে সচেতনতার পাশাপাশি সর্তক থাকতে হবে।

পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসচেতনা তৈরি করলে ডেঙ্গু কিছুটা কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন এই চিকিৎসক।

লক্ষ্মীপুরে স্যালাইন সংকটে ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট : ১১:০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

লক্ষ্মীপুরে এক মাস ধরে তীব্র স্যালাইন সংকট চলছে। এতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভোগান্তিত পড়ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ফার্মেসিগুলোয় স্যালাইন নেই বললেই চলে। সরবরাহ সংকটের কারণে স্যালাইনের দাম বেড়ে গেছে দুই থেকে তিনগুণ।

ফার্মেসি ব্যবসায়ী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, স্যালাইনের প্রকট সংকট রয়েছে। ডেঙ্গু রোগীর কারণে বাজারে স্যালাইনের চাহিদা বেশি। কিন্তু ফার্মেসিগুলোয় এই মুহূর্তে স্যালাইন নেই। সরবরাহকারীরা ঠিকমতো স্যালাইন সরবরাহ করছে না। ৯০ টাকার স্যালাইন ২০০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা ফার্মেসিতে গিয়ে স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না। যেখানে প্রতিদিন রোগীদের স্যালাইন দিতে হয়, সেখানে দুয়েকটি স্যালাইন পাওয়া গেলেও দ্বিগুন বা তিনগুন দাম দিয়ে কিনতে হয়।

স্থানীয় স্টার কেএস হসপিটালের আরএমও ডা. তানজির ইসলাম রবিন বলেন, স্যালাইন সংকটের কারণে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দ্রুত এই সংকট না কাটলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, সাধারণ স্যালাইন শুধু ডেঙ্গুই না সিজার, সার্জারি, ডায়ালাইসিসসহ বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। ডেঙ্গু রোগী বেড়ে যাওয়ায় স্যালাইনের সংকটে অন্যান্য রোগের চিকিৎসাও ব্যাহত হচ্ছে। তাই ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে সচেতনতার পাশাপাশি সর্তক থাকতে হবে।

পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসচেতনা তৈরি করলে ডেঙ্গু কিছুটা কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন এই চিকিৎসক।