ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

আবার হারলো বাংলাদেশ, টানা জয়ের রেকর্ড শ্রীলঙ্কার

ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সুপার ফোরের খেলায় বাংলাদেশকে ২১ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে হারের পর সুপার ফোরেও লঙ্কানদের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ সাকিববাহিনী। আগের ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হারের পর আজকের হারে এশিয়া কাপের ফাইনালে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেল টাইগারদের। এই জয় দিয়ে ওয়ানডেতে টানা ১৩টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়লো লঙ্কানরা।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার দেয়া ২৫৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ দল। নাঈম শেখ-মিরাজ ওপেনিং জুটিতে সংগ্রহ করেন ৫৫ রান। ব্যাট হাতে তাওহীদ হৃদয় খেলেন ৮২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। তবুও সাকিব-লিটনদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় লঙ্কানদের দেয়া ২৫৮ রান তাড়া করতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ।

শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং করছিলেন তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম এবং হাসান মাহমুদ। তবে ম্যাচের শেষ পর্যায়ে এসে ব্যাটারদের নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলংকা। নির্ধারিত ৫০ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান সংগ্রহ করে লঙ্কানরা। বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসায় জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য পড়ে ২৫৮ রানের। এই রান তাড়ায় শুরুতে ইতিবাচক বার্তা দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ। রান মন্থর হলেও আশা জাগান এই জুটি। কিন্তু ৫৫ রানে এই জুটি ভেঙে শ্রীলঙ্কাকে স্বস্তি এনে দেন দাসুন শানাকা। শ্রীলঙ্কার অধিনায়কের শর্ট লেংথের বলে পুল করতে গিয়ে টাইমিং গড়বড় করেন মিরাজ। ব্যাটে লেগে ক্যাচ চলে যায় মিড উইকেটে। ২৯ বলে ২৮ রানে শেষ হয় মিরাজের ইনিংস।

এরপর নাঈমও বিদায় নেন। যথারীতি ডটবল খেলতে খেলতে উইকেটে খাবি খাচ্ছিলেন নাঈম। শানাকার বল বুঝতেই পারেননি নাঈম। না বুঝে খাড়া উপরে বল তুলে দিয়ে ফিরে যান সাজঘরে। মাত্র ২১ রান নিতে ৪৬ বল খেলেন এই ওপেনার।

এরপর শুধু হতাশাই দেখেছে বাংলাদেশ। উইকেটে এসে টিকতে পারেননি সাকিব আল হাসান (৩)। বিদায় নেন লিটন দাসও (১৫)। মাত্র ৮৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেই চাপ কাটাতে জুটি বাধেন মুশফিক ও তাওহিদ। ১১২ বলে ওই জুটিতে আসে ৭২ রান।

বাংলাদেশ যখন প্রতিরোধ গড়েন তখন আবারও শ্রীলঙ্কার ত্রাতা হয়ে আসেন শানাকা। এবার তুলে নেন মুশফিকের উইকেট। ৪৮ বলে ২৯ রান করে বিদায় নেন মুশফিক।

মুশফিকের বিদায়ের পর দলকে একাই টানেন তাওহিদ। কিন্তু তিনি প্রান্ত আগলে রাখলেও সতীর্থদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয়হীন থেকেই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে তাওহিদের ব্যাট থেকেই। এক ছক্কা আর ৭টি বাউন্ডারিতে ৯৭বলে ৮২ রানের ইনিংস খেলেন তরুণ এই ব্যাটার।

এর আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৫৭ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ বলে ৯৪ রান করেছেন সামারাবিক্রমা।

কলম্বোতে এদিন টস জিতে ফিল্ডিং নেন অধিনায়ক সাকিব। প্রথম ওভারে ভালোই পরীক্ষা নেন তাসকিন। তবে উইকেট আসে ষষ্ঠ ওভারে। ওই ওভারে হাসানের বলে উইকেটের পেছনে মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন করুনারত্নে। ১৭ বলে তিন চারে ১৮ করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর দ্বিতীয় জুটিতে কুশল মেন্ডিস ও নিশাঙ্কা মিলে যোগ করেন ৭৪ রান। ২৩.২তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন শরিফুল। ওপেনিংয়ে নামা নিশাঙ্কাকে ৪০ রানে এলবির ফাঁদে ফেলেন এই পেসার। এরপর বিদায় করেন মেন্ডিসকেও (৫০)।

তিন উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আরও দুটি উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পাঁচে নামা আসালাঙ্কাকে টিকতে দেননি তাসকিন আহমেদ আর ছয়ে নামা ডি সিলভাকে ফেরান হাসান মাহমুদ।

৫ উইকেটের হারানোর পর আরেকটি দারুণ জুটি পায় শ্রীলঙ্কা। ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও সামারাবিক্রমার মিলে উপহার দেন ৬০ রানের জুটি। মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ওঠা এই জুটিও ভাঙেন হাসান। ফিরিয়ে দেন লঙ্কান অধিনায়ক শানাকাকে।

ইনিংসের ৪৭তম ওভারে হাসানের ফুললেংথের বলে আগে থেকেই স্কুপ করতে তৈরি থাকা শানাকা হন বোল্ড। ৩২ বলে করেছেন ২৪ রান করে বিদায় তিনি। এরপর শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে ৯৪ রান তুলে মাঠ ছাড়েন সামারাবিক্রমা।

বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৫৭ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। ৬২ রান দিয়ে তাসকিন আহমেদও নেন তিন উইকেট। শরিফুল দুই উইকেট নিতে দিয়েছেন ৪৮রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

শ্রীলঙ্কা : ৫০ ওভারে ২৫৭/৯। (নিশাঙ্কা ৪০, করুনারত্নে ১৮, মেন্ডিস ৫০, আসালাঙ্কা ১০, ডি সিলভা ৬, সামারাবিক্রমা ৯৩ , শানাকা ২৪, ভেল্লালাগে ৩, থিকসানা ২, রাজিথা ১* ; তাসকিন ১০-০-৬২-৩, শরিফুল ৮-০-৪৮-২ , হাসান ৯-০-৫৭-৩, সাকিব ১০-০-৪৪-০ , নাসুম ১০-১-৩১-০, মিরাজ ৩-০-১৪-০)।

বাংলাদেশ : ৪৮.১ ওভারে ২১৬/১০ । ( নাঈম ২১, মিরাজ ২৮, লিটন ১৫, সাকিব ৩, মুশফিক ২৯, হৃদয় ৮২, শামীম ৫, নাসুম ১৫ , তাসকিন ১, শরিফুল ৭, হাসান ১০* ; রাজিথা ৭-০-২৯-০, থিকসানা ৯-০-৬৯-৩ , শানাকা ৯-০-২৮-৩ , পাথিরানা ৯.১-১-৫৮-৩, ভেল্লালাগে ১০-১-২৬-১, ডি সিলভা ৪-০-১৮-০)।

ফলাফল : শ্রীলঙ্কা ২১ রানে জয়ী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আবার হারলো বাংলাদেশ, টানা জয়ের রেকর্ড শ্রীলঙ্কার

আপডেট সময় : ০৫:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সুপার ফোরের খেলায় বাংলাদেশকে ২১ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে হারের পর সুপার ফোরেও লঙ্কানদের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ সাকিববাহিনী। আগের ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হারের পর আজকের হারে এশিয়া কাপের ফাইনালে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেল টাইগারদের। এই জয় দিয়ে ওয়ানডেতে টানা ১৩টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়লো লঙ্কানরা।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার দেয়া ২৫৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ দল। নাঈম শেখ-মিরাজ ওপেনিং জুটিতে সংগ্রহ করেন ৫৫ রান। ব্যাট হাতে তাওহীদ হৃদয় খেলেন ৮২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। তবুও সাকিব-লিটনদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় লঙ্কানদের দেয়া ২৫৮ রান তাড়া করতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ।

শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং করছিলেন তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম এবং হাসান মাহমুদ। তবে ম্যাচের শেষ পর্যায়ে এসে ব্যাটারদের নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলংকা। নির্ধারিত ৫০ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান সংগ্রহ করে লঙ্কানরা। বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ।

কলম্বোর আর প্রেমাদাসায় জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য পড়ে ২৫৮ রানের। এই রান তাড়ায় শুরুতে ইতিবাচক বার্তা দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ। রান মন্থর হলেও আশা জাগান এই জুটি। কিন্তু ৫৫ রানে এই জুটি ভেঙে শ্রীলঙ্কাকে স্বস্তি এনে দেন দাসুন শানাকা। শ্রীলঙ্কার অধিনায়কের শর্ট লেংথের বলে পুল করতে গিয়ে টাইমিং গড়বড় করেন মিরাজ। ব্যাটে লেগে ক্যাচ চলে যায় মিড উইকেটে। ২৯ বলে ২৮ রানে শেষ হয় মিরাজের ইনিংস।

এরপর নাঈমও বিদায় নেন। যথারীতি ডটবল খেলতে খেলতে উইকেটে খাবি খাচ্ছিলেন নাঈম। শানাকার বল বুঝতেই পারেননি নাঈম। না বুঝে খাড়া উপরে বল তুলে দিয়ে ফিরে যান সাজঘরে। মাত্র ২১ রান নিতে ৪৬ বল খেলেন এই ওপেনার।

এরপর শুধু হতাশাই দেখেছে বাংলাদেশ। উইকেটে এসে টিকতে পারেননি সাকিব আল হাসান (৩)। বিদায় নেন লিটন দাসও (১৫)। মাত্র ৮৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেই চাপ কাটাতে জুটি বাধেন মুশফিক ও তাওহিদ। ১১২ বলে ওই জুটিতে আসে ৭২ রান।

বাংলাদেশ যখন প্রতিরোধ গড়েন তখন আবারও শ্রীলঙ্কার ত্রাতা হয়ে আসেন শানাকা। এবার তুলে নেন মুশফিকের উইকেট। ৪৮ বলে ২৯ রান করে বিদায় নেন মুশফিক।

মুশফিকের বিদায়ের পর দলকে একাই টানেন তাওহিদ। কিন্তু তিনি প্রান্ত আগলে রাখলেও সতীর্থদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয়হীন থেকেই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে তাওহিদের ব্যাট থেকেই। এক ছক্কা আর ৭টি বাউন্ডারিতে ৯৭বলে ৮২ রানের ইনিংস খেলেন তরুণ এই ব্যাটার।

এর আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৫৭ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ বলে ৯৪ রান করেছেন সামারাবিক্রমা।

কলম্বোতে এদিন টস জিতে ফিল্ডিং নেন অধিনায়ক সাকিব। প্রথম ওভারে ভালোই পরীক্ষা নেন তাসকিন। তবে উইকেট আসে ষষ্ঠ ওভারে। ওই ওভারে হাসানের বলে উইকেটের পেছনে মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন করুনারত্নে। ১৭ বলে তিন চারে ১৮ করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর দ্বিতীয় জুটিতে কুশল মেন্ডিস ও নিশাঙ্কা মিলে যোগ করেন ৭৪ রান। ২৩.২তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন শরিফুল। ওপেনিংয়ে নামা নিশাঙ্কাকে ৪০ রানে এলবির ফাঁদে ফেলেন এই পেসার। এরপর বিদায় করেন মেন্ডিসকেও (৫০)।

তিন উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আরও দুটি উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পাঁচে নামা আসালাঙ্কাকে টিকতে দেননি তাসকিন আহমেদ আর ছয়ে নামা ডি সিলভাকে ফেরান হাসান মাহমুদ।

৫ উইকেটের হারানোর পর আরেকটি দারুণ জুটি পায় শ্রীলঙ্কা। ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও সামারাবিক্রমার মিলে উপহার দেন ৬০ রানের জুটি। মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ওঠা এই জুটিও ভাঙেন হাসান। ফিরিয়ে দেন লঙ্কান অধিনায়ক শানাকাকে।

ইনিংসের ৪৭তম ওভারে হাসানের ফুললেংথের বলে আগে থেকেই স্কুপ করতে তৈরি থাকা শানাকা হন বোল্ড। ৩২ বলে করেছেন ২৪ রান করে বিদায় তিনি। এরপর শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে ৯৪ রান তুলে মাঠ ছাড়েন সামারাবিক্রমা।

বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৫৭ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। ৬২ রান দিয়ে তাসকিন আহমেদও নেন তিন উইকেট। শরিফুল দুই উইকেট নিতে দিয়েছেন ৪৮রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

শ্রীলঙ্কা : ৫০ ওভারে ২৫৭/৯। (নিশাঙ্কা ৪০, করুনারত্নে ১৮, মেন্ডিস ৫০, আসালাঙ্কা ১০, ডি সিলভা ৬, সামারাবিক্রমা ৯৩ , শানাকা ২৪, ভেল্লালাগে ৩, থিকসানা ২, রাজিথা ১* ; তাসকিন ১০-০-৬২-৩, শরিফুল ৮-০-৪৮-২ , হাসান ৯-০-৫৭-৩, সাকিব ১০-০-৪৪-০ , নাসুম ১০-১-৩১-০, মিরাজ ৩-০-১৪-০)।

বাংলাদেশ : ৪৮.১ ওভারে ২১৬/১০ । ( নাঈম ২১, মিরাজ ২৮, লিটন ১৫, সাকিব ৩, মুশফিক ২৯, হৃদয় ৮২, শামীম ৫, নাসুম ১৫ , তাসকিন ১, শরিফুল ৭, হাসান ১০* ; রাজিথা ৭-০-২৯-০, থিকসানা ৯-০-৬৯-৩ , শানাকা ৯-০-২৮-৩ , পাথিরানা ৯.১-১-৫৮-৩, ভেল্লালাগে ১০-১-২৬-১, ডি সিলভা ৪-০-১৮-০)।

ফলাফল : শ্রীলঙ্কা ২১ রানে জয়ী।