০৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনে হামলায় এবার রাশিয়ার ৩২ ড্রোন, ভূপাতিত ২৫

ইউক্রেনকে লক্ষ্য করে ফের ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। দেশটির স্থানীয় সময় শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ৩২টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালায় মস্কো। এর মধ্যে ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর এএফপির।

কিয়েভের সামরিক বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘রাজধানীকে লক্ষ্য করেই বেশির ভাগ হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।’ তবে বাকি সাতটি ড্রোনের কী হয়েছে, সে সম্পর্কে কিছু জানানি তিনি।

ইউক্রেনে এমন সময় হামলা করল রাশিয়া, যে সময়ে দেশটির নেতারা রুশ আগ্রাসন ঠেকাতে আরও বেশি পশ্চিমা সহায়তার আবেদন করেছে। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘দখলদাররা (রাশিয়া) ৩২টি ক্যামিকাজ ড্রোন দিয়ে ফের হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছে। কিয়েভ অঞ্চলকে লক্ষ্য করেই বেশির ভাগ হামলা চালিয়েছে তারা।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে কিয়েভ শহরের সামরিক প্রধান সের্গেই পোপকো বলেন, ‘বিভিন্ন দিক থেকে রাজধানীর দিকে ড্রোন ছোড়া হয়। ধ্বংসপ্রাপ্ত ড্রোনের অংশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পড়েছে। এতে একটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি রাস্তা ও বিদ্যুৎলাইনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

এএফপি জানায়, গত বছরের শুরুর দিকে রাশিয়া সুপরিকল্পিতভাবে ইউক্রেনের শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। কিন্তু, মস্কোর মজুত কমে যাওয়ায় এবং ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার কারণে এ ধরনের হামলা কমেছে।

গত মাসে মস্কোর ছোড়া ২০টি ড্রোন ও একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে কিয়েভ। ওই হামলাকে গত শীতের পরে ‘সবচেয়ে বড় হামলা’ বলে অভিহিত করা হয়।

এদিকে, ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তম উমেরভ আরও অস্ত্র সহায়তা চেয়েছেন। এক ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমাদের যেসব সহায়তা করা হচ্ছে, সেজন্য আমরা ঋণী। তবে, আমাদের আরও ভারী অস্ত্রশস্ত্র লাগবে। আমাদের এখন সেগুলো দরকার।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘পশ্চিমাদের অস্ত্র সহায়তা মন্থর হওয়ায় আমাদের পাল্টা আক্রমণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার উপপ্রধান ভাদিয়েম স্কিবিটস্কির ধারণা, ক্রিমিয়াসহ ইউক্রেনের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে ৪২ হাজারেরও বেশি রুশ সৈন্য রয়েছে।

ইউক্রেনে হামলায় এবার রাশিয়ার ৩২ ড্রোন, ভূপাতিত ২৫

আপডেট : ০৭:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ইউক্রেনকে লক্ষ্য করে ফের ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। দেশটির স্থানীয় সময় শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ৩২টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালায় মস্কো। এর মধ্যে ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর এএফপির।

কিয়েভের সামরিক বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘রাজধানীকে লক্ষ্য করেই বেশির ভাগ হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।’ তবে বাকি সাতটি ড্রোনের কী হয়েছে, সে সম্পর্কে কিছু জানানি তিনি।

ইউক্রেনে এমন সময় হামলা করল রাশিয়া, যে সময়ে দেশটির নেতারা রুশ আগ্রাসন ঠেকাতে আরও বেশি পশ্চিমা সহায়তার আবেদন করেছে। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘দখলদাররা (রাশিয়া) ৩২টি ক্যামিকাজ ড্রোন দিয়ে ফের হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছে। কিয়েভ অঞ্চলকে লক্ষ্য করেই বেশির ভাগ হামলা চালিয়েছে তারা।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে কিয়েভ শহরের সামরিক প্রধান সের্গেই পোপকো বলেন, ‘বিভিন্ন দিক থেকে রাজধানীর দিকে ড্রোন ছোড়া হয়। ধ্বংসপ্রাপ্ত ড্রোনের অংশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পড়েছে। এতে একটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি রাস্তা ও বিদ্যুৎলাইনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

এএফপি জানায়, গত বছরের শুরুর দিকে রাশিয়া সুপরিকল্পিতভাবে ইউক্রেনের শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। কিন্তু, মস্কোর মজুত কমে যাওয়ায় এবং ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার কারণে এ ধরনের হামলা কমেছে।

গত মাসে মস্কোর ছোড়া ২০টি ড্রোন ও একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে কিয়েভ। ওই হামলাকে গত শীতের পরে ‘সবচেয়ে বড় হামলা’ বলে অভিহিত করা হয়।

এদিকে, ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তম উমেরভ আরও অস্ত্র সহায়তা চেয়েছেন। এক ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমাদের যেসব সহায়তা করা হচ্ছে, সেজন্য আমরা ঋণী। তবে, আমাদের আরও ভারী অস্ত্রশস্ত্র লাগবে। আমাদের এখন সেগুলো দরকার।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘পশ্চিমাদের অস্ত্র সহায়তা মন্থর হওয়ায় আমাদের পাল্টা আক্রমণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার উপপ্রধান ভাদিয়েম স্কিবিটস্কির ধারণা, ক্রিমিয়াসহ ইউক্রেনের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে ৪২ হাজারেরও বেশি রুশ সৈন্য রয়েছে।