ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: মালদ্বীপে এগিয়ে চীনপন্থী প্রার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪৮০ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগণনার পর এগিয়ে রয়েছে চীনপন্থী প্রার্থী পিএনসি-পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেতা মোহাম্মদ মুইজু। তবে ন্যূনতম ৫০ ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতপন্থী ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর সঙ্গে লড়াই করতে হবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গতকাল শনিবার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগণনায় দেখা যায়, ৪৫ বছরের মুইজু ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সলিহ পেয়েছেন ৩৯ শতাংশ ভোট। এবারের মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আট প্রার্থী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনটি ভারত ও চীন উভয় দেশই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। কারণ এ দুটি দেশই মালদ্বীপে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে চায়।

শনিবার ফলাফল ঘোষণার পর মুইজ বলেন, আমরা আজ খুবই খুশি। মালদ্বীপের জনগণ জাতীয়বাদী চেতনায় এগিয়ে এসেছে। সরকারি চাপ ও নির্যাতন সত্ত্বেও তারা দারুণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

অন্যদিকে সলিহ সাংবাদিকদের জানান, তিনিও দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য প্রস্তুত। তিনি এজন্য জোটও গড়বেন।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোট অনুষ্ঠিত হবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগে গত বছরের ডিসেম্বরে মালদ্বীপের বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনের ১১ বছরের কারাদণ্ড হয়। তাঁর জায়গায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মুইজু।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৃতীয় হয়েছেন সলিহর মালদিভিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এমডিপি) সাবেক এমপি ইলিয়াস লাবিব। তিনি ভোট পেয়েছেন ৭ ভাগ। তিনি বর্তমানে দ্য ডেমোক্র্যাটস পার্টির প্রতিনিধিত্ব করছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ এই দলের প্রতিষ্ঠাতা। সলিহর সঙ্গে তীব্র মতবিরোধের জের ধরে তিনি এই দল গঠন করেন। অথচ গতবার সলিহর নির্বাচিত হওয়ার পেছনে নাশিদের বিপুল ভূমিকা ছিল।

শনিবার মালদ্বীপের দুই লাখ ৮২ হাজার ৩৯৫ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৭৫ ভাগ ভোট দিয়েছে। এর আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ছিল ৮৫ ভাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: মালদ্বীপে এগিয়ে চীনপন্থী প্রার্থী

আপডেট সময় : ০৬:১৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগণনার পর এগিয়ে রয়েছে চীনপন্থী প্রার্থী পিএনসি-পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেতা মোহাম্মদ মুইজু। তবে ন্যূনতম ৫০ ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতপন্থী ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর সঙ্গে লড়াই করতে হবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গতকাল শনিবার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগণনায় দেখা যায়, ৪৫ বছরের মুইজু ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সলিহ পেয়েছেন ৩৯ শতাংশ ভোট। এবারের মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আট প্রার্থী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনটি ভারত ও চীন উভয় দেশই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। কারণ এ দুটি দেশই মালদ্বীপে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে চায়।

শনিবার ফলাফল ঘোষণার পর মুইজ বলেন, আমরা আজ খুবই খুশি। মালদ্বীপের জনগণ জাতীয়বাদী চেতনায় এগিয়ে এসেছে। সরকারি চাপ ও নির্যাতন সত্ত্বেও তারা দারুণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

অন্যদিকে সলিহ সাংবাদিকদের জানান, তিনিও দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য প্রস্তুত। তিনি এজন্য জোটও গড়বেন।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোট অনুষ্ঠিত হবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগে গত বছরের ডিসেম্বরে মালদ্বীপের বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনের ১১ বছরের কারাদণ্ড হয়। তাঁর জায়গায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মুইজু।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৃতীয় হয়েছেন সলিহর মালদিভিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এমডিপি) সাবেক এমপি ইলিয়াস লাবিব। তিনি ভোট পেয়েছেন ৭ ভাগ। তিনি বর্তমানে দ্য ডেমোক্র্যাটস পার্টির প্রতিনিধিত্ব করছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ এই দলের প্রতিষ্ঠাতা। সলিহর সঙ্গে তীব্র মতবিরোধের জের ধরে তিনি এই দল গঠন করেন। অথচ গতবার সলিহর নির্বাচিত হওয়ার পেছনে নাশিদের বিপুল ভূমিকা ছিল।

শনিবার মালদ্বীপের দুই লাখ ৮২ হাজার ৩৯৫ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৭৫ ভাগ ভোট দিয়েছে। এর আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ছিল ৮৫ ভাগ।