১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট : ০৭:৪৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৫৭ দেখেছেন

রাশিয়ার দানিল মেদভেদেভকে হারিয়ে ২৪তম গ্র্যান্ড জিতেছেন নোভাক জোকোভিচ। ফলে ৫০ বছর অক্ষত থাকায় পর মার্গারেট কোর্টের এককভাবে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসালেন কেউ। প্রথম সেটে জোকোভিচ ৬-৩ গেমের অনায়াস জয় পেলেও দ্বিতীয় সেটে অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মেদভেদেভ।

দুজনের হার না মানা লড়াইয়ের কারণে সেই সেটটির স্থায়িত্ব হয় ১ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট। শেষ পর্যন্ত অবশ্য শেষ হাসি হেসেছেন জোকোভিচই। সেটটি তিনি জেতেন ৭-৬(৭-৫) গেমে। দ্বিতীয় সেটে নিজেকে উজাড় করে দেওয়া মেদভেদেভ তৃতীয় সেটে আর পারেননি। হেরে যান ৬-৩ গেমে। আর এতেই রেকর্ডের চূড়ায় উঠেছেন জোকোভিচ।

রেকর্ড গড়া এই জয়ের পর উচ্ছ্বসিত জোকোভিচ বলেছেন, ‘এটা আমার কাছে পৃথিবীর সবকিছু। আমি সত্যিই আমার শৈশব স্বপ্নের ভেতর আছি। যখন আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম এই খেলাটির সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠার লড়াই করার। এ জন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে অনেক কঠিন সময়ও পার করতে হয়েছিল।’

ইতিহাসের চূড়ায় ওঠা নিয়ে জোকোভিচ বলেছেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি আমি এ পর্যন্ত আসতে পারব। তবে গত কয়েক বছর ধরে মনে হচ্ছিল ইতিহাস গড়ার চেষ্টা করা যেতে পারে। যখন সেটি সামনে আছে কেন তা নিজের করে নেব না!’

এই জয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদালের সঙ্গেও নিজের ব্যবধানটাও আরও বাড়িয়ে নিলেন জোকোভিচ। নাদালের ২২ গ্র্যান্ড স্লামের বিপরীতে জোকোভিচের গ্র্যান্ড স্লাম সংখ্যা এখন ২৪। চলতি বছরই চার গ্র্যান্ড স্লামের তিনটি জিতেছেন জোকোভিচ। উইম্বলডনে ফাইনালে গিয়েও অল্পের জন্য হার মানতে হয়েছিল। সে জন্য অবশ্য কিছুটা দুঃখ বোধও আছে জোকোভিচের, ‘উইম্বলডন জিততে না পারায় কিছুটা দুঃখ আছে। কিন্তু দিন শেষে আমার কাছে খুশি হওয়ার মতো অনেক কিছুই আছে।’

ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ

আপডেট : ০৭:৪৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রাশিয়ার দানিল মেদভেদেভকে হারিয়ে ২৪তম গ্র্যান্ড জিতেছেন নোভাক জোকোভিচ। ফলে ৫০ বছর অক্ষত থাকায় পর মার্গারেট কোর্টের এককভাবে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসালেন কেউ। প্রথম সেটে জোকোভিচ ৬-৩ গেমের অনায়াস জয় পেলেও দ্বিতীয় সেটে অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মেদভেদেভ।

দুজনের হার না মানা লড়াইয়ের কারণে সেই সেটটির স্থায়িত্ব হয় ১ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট। শেষ পর্যন্ত অবশ্য শেষ হাসি হেসেছেন জোকোভিচই। সেটটি তিনি জেতেন ৭-৬(৭-৫) গেমে। দ্বিতীয় সেটে নিজেকে উজাড় করে দেওয়া মেদভেদেভ তৃতীয় সেটে আর পারেননি। হেরে যান ৬-৩ গেমে। আর এতেই রেকর্ডের চূড়ায় উঠেছেন জোকোভিচ।

রেকর্ড গড়া এই জয়ের পর উচ্ছ্বসিত জোকোভিচ বলেছেন, ‘এটা আমার কাছে পৃথিবীর সবকিছু। আমি সত্যিই আমার শৈশব স্বপ্নের ভেতর আছি। যখন আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম এই খেলাটির সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠার লড়াই করার। এ জন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে অনেক কঠিন সময়ও পার করতে হয়েছিল।’

ইতিহাসের চূড়ায় ওঠা নিয়ে জোকোভিচ বলেছেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি আমি এ পর্যন্ত আসতে পারব। তবে গত কয়েক বছর ধরে মনে হচ্ছিল ইতিহাস গড়ার চেষ্টা করা যেতে পারে। যখন সেটি সামনে আছে কেন তা নিজের করে নেব না!’

এই জয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদালের সঙ্গেও নিজের ব্যবধানটাও আরও বাড়িয়ে নিলেন জোকোভিচ। নাদালের ২২ গ্র্যান্ড স্লামের বিপরীতে জোকোভিচের গ্র্যান্ড স্লাম সংখ্যা এখন ২৪। চলতি বছরই চার গ্র্যান্ড স্লামের তিনটি জিতেছেন জোকোভিচ। উইম্বলডনে ফাইনালে গিয়েও অল্পের জন্য হার মানতে হয়েছিল। সে জন্য অবশ্য কিছুটা দুঃখ বোধও আছে জোকোভিচের, ‘উইম্বলডন জিততে না পারায় কিছুটা দুঃখ আছে। কিন্তু দিন শেষে আমার কাছে খুশি হওয়ার মতো অনেক কিছুই আছে।’