ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কম্পনে চাঁদে ফাটল, বিক্রমের কী হবে!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪৯১ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চাঁদের মাটিতে ঘুমিয়ে আছে ভারতের চন্দ্রযান-৩। ২২ সেপ্টেম্বর সজাগ হওয়ার কথা ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞানের। এরই মধ্যে এবার চাঁদের মাটিতে কম্পন অনুভূত হয়েছে। শোনা গেছে রহস্যজনক শব্দ। এ ছাড়া দেখা গেছে ফাটলও। তবে এটি চাঁদে স্বাভাবিক ঘটনা বলেই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, ফিজিওলজিক্যাল রিসার্চ নামক এক জার্নালে ক্যালটেক প্রতিষ্ঠানের একদল গবেষক এসব তথ্য জানিয়েছেন। গবেষক দলের প্রধান ফ্রান্সিসকো সিভিলিনি জানান, চাঁদের মাটিতে তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে এমন হয়ে থাকে।

ফ্রান্সিসকো সিভিলিনি বলেন, ‘তাপমাত্রার ফারাকের কারণেই চন্দ্রপৃষ্ঠে এমন কম্পন অনুভূত হচ্ছে। চাঁদ মোটেই শান্তশিষ্ঠ এলাকা নয়। চাঁদে দিনে থাকে ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। আবার রাতেই -১৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর ফলে চন্দ্রপৃষ্ঠ প্রসারিত ও সংকুচিত হয়। আর এতেই সামান্য ঝাঁকুনি এবং ফাটল দেখা দেয়, কম্পন তৈরি হয়।’

গত শতকের সত্তরের দশকে অ্যাপোলো ১৭ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে সিসমোমিটার পাঠায় আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এতেই চাঁদের এই কম্পন ধরা পড়েছে। তবে এখনো এসব তথ্য পর্যালোচনা করা হয়নি। বেশির ভাগ কম্পনই বিকেলের দিকে অনুভূত হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্য আকাশে সর্বোচ্চ অবস্থান সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চাঁদের পৃষ্ঠ শীতল হতে শুরু করে। প্রতি বিকেলে তাপীয় চাঁদের কম্পনগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন হয়। আর এতেই কম্পন দেখা দেয়।

সকালেও এমনটি হতে পারে। তবে এবার যে কম্পন পাওয়া গেছে, তা একটু বেশিই। এ কারণেই নতুন করে ভাবনায় পড়েছেন বিজ্ঞানীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

কম্পনে চাঁদে ফাটল, বিক্রমের কী হবে!

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

চাঁদের মাটিতে ঘুমিয়ে আছে ভারতের চন্দ্রযান-৩। ২২ সেপ্টেম্বর সজাগ হওয়ার কথা ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞানের। এরই মধ্যে এবার চাঁদের মাটিতে কম্পন অনুভূত হয়েছে। শোনা গেছে রহস্যজনক শব্দ। এ ছাড়া দেখা গেছে ফাটলও। তবে এটি চাঁদে স্বাভাবিক ঘটনা বলেই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, ফিজিওলজিক্যাল রিসার্চ নামক এক জার্নালে ক্যালটেক প্রতিষ্ঠানের একদল গবেষক এসব তথ্য জানিয়েছেন। গবেষক দলের প্রধান ফ্রান্সিসকো সিভিলিনি জানান, চাঁদের মাটিতে তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে এমন হয়ে থাকে।

ফ্রান্সিসকো সিভিলিনি বলেন, ‘তাপমাত্রার ফারাকের কারণেই চন্দ্রপৃষ্ঠে এমন কম্পন অনুভূত হচ্ছে। চাঁদ মোটেই শান্তশিষ্ঠ এলাকা নয়। চাঁদে দিনে থাকে ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। আবার রাতেই -১৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর ফলে চন্দ্রপৃষ্ঠ প্রসারিত ও সংকুচিত হয়। আর এতেই সামান্য ঝাঁকুনি এবং ফাটল দেখা দেয়, কম্পন তৈরি হয়।’

গত শতকের সত্তরের দশকে অ্যাপোলো ১৭ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে সিসমোমিটার পাঠায় আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এতেই চাঁদের এই কম্পন ধরা পড়েছে। তবে এখনো এসব তথ্য পর্যালোচনা করা হয়নি। বেশির ভাগ কম্পনই বিকেলের দিকে অনুভূত হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্য আকাশে সর্বোচ্চ অবস্থান সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চাঁদের পৃষ্ঠ শীতল হতে শুরু করে। প্রতি বিকেলে তাপীয় চাঁদের কম্পনগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন হয়। আর এতেই কম্পন দেখা দেয়।

সকালেও এমনটি হতে পারে। তবে এবার যে কম্পন পাওয়া গেছে, তা একটু বেশিই। এ কারণেই নতুন করে ভাবনায় পড়েছেন বিজ্ঞানীরা।