ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

খালিস্তানপন্থি নেতা হত্যার তদন্তে ভারতকে সহায়তার আহবান আমেরিকার

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৩৮২ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খালিস্তানপন্থি শিখ নেতা হারদীপ সিং নিজ্জার হত্যার ঘটনায় ভারত সরকারের দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ভারতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার পর ট্রুডো এখন পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোকেও পাশে চাইছেন। এমন পরিস্থিতিতে শিখ নেতা হত্যার তদন্তে ভারতকে সহযোগিতা করতে বলেছে আমেরিকা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডার শিখ নেতা হারদীপ সিং নিজ্জার হত্যার ঘটনা নিয়ে গতকাল বুধবার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কিরবি কথা বলেন। তিনি জানান, গত জুনে কানাডায় একজন শিখ নেতা হত্যায় ভারতীয় এজেন্টদের সম্ভাব্য জড়িত থাকার অভিযোগ নিয়ে হোয়াইট হাউস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই ঘটনায় ভারতীয় কর্মকর্তাদের যেকোনো তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানায় আমেরিকা।

এর আগে গত সোমবার হাউস অব কমন্সে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘হারদীপ হত্যায় ভারতের সংশ্লিষ্টতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন কানাডার গোয়েন্দারা। দেশের অভ্যন্তরে কানাডার একজন নাগরিককে এভাবে হত্যা, বিদেশিদের এমন প্রত্যক্ষ যোগসাজশ সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। সম্প্রতি জি টুয়েন্টি সম্মেলনের মধ্যে বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছি।’

কানাডা ভারতের দিকে ওই গুরুতর অভিযোগ তোলার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, কানাডার নাগরিকের হত্যা তদন্তের দিকে নজর রাখছে দেশ দুটি।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডার বাসিন্দা ছিলেন হরদীপ সিং নিজ্জার। তিনি খালিস্তানপন্থী শিখ নেতা হিসেবে পরিচিত। ভারতের অভিযোগ, হরদিপ ছিলেন সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘খালিস্তানি টাইগার ফোর্স’ ও নিষিদ্ধ ‘শিখস ফর জাস্টিস’-এর কানাডা শাখার নেতা। তাঁকে দেশে ফেরত আনতে চেয়েছিল দিল্লি। হরদীপ সিং স্বাধীন শিখ রাষ্ট্র খালিস্তান প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন। বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত ছিলেন এই শিখ নেতা, এমন দাবিও করে ভারত। তবে হরদীপ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে একটি শিখ উপাসনালয়ের বাইরে গত ১৮ জুন হরদীপ সিংকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

খালিস্তানপন্থি নেতা হত্যার তদন্তে ভারতকে সহায়তার আহবান আমেরিকার

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

খালিস্তানপন্থি শিখ নেতা হারদীপ সিং নিজ্জার হত্যার ঘটনায় ভারত সরকারের দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ভারতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার পর ট্রুডো এখন পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোকেও পাশে চাইছেন। এমন পরিস্থিতিতে শিখ নেতা হত্যার তদন্তে ভারতকে সহযোগিতা করতে বলেছে আমেরিকা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডার শিখ নেতা হারদীপ সিং নিজ্জার হত্যার ঘটনা নিয়ে গতকাল বুধবার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কিরবি কথা বলেন। তিনি জানান, গত জুনে কানাডায় একজন শিখ নেতা হত্যায় ভারতীয় এজেন্টদের সম্ভাব্য জড়িত থাকার অভিযোগ নিয়ে হোয়াইট হাউস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই ঘটনায় ভারতীয় কর্মকর্তাদের যেকোনো তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানায় আমেরিকা।

এর আগে গত সোমবার হাউস অব কমন্সে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘হারদীপ হত্যায় ভারতের সংশ্লিষ্টতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন কানাডার গোয়েন্দারা। দেশের অভ্যন্তরে কানাডার একজন নাগরিককে এভাবে হত্যা, বিদেশিদের এমন প্রত্যক্ষ যোগসাজশ সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। সম্প্রতি জি টুয়েন্টি সম্মেলনের মধ্যে বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছি।’

কানাডা ভারতের দিকে ওই গুরুতর অভিযোগ তোলার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, কানাডার নাগরিকের হত্যা তদন্তের দিকে নজর রাখছে দেশ দুটি।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডার বাসিন্দা ছিলেন হরদীপ সিং নিজ্জার। তিনি খালিস্তানপন্থী শিখ নেতা হিসেবে পরিচিত। ভারতের অভিযোগ, হরদিপ ছিলেন সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘খালিস্তানি টাইগার ফোর্স’ ও নিষিদ্ধ ‘শিখস ফর জাস্টিস’-এর কানাডা শাখার নেতা। তাঁকে দেশে ফেরত আনতে চেয়েছিল দিল্লি। হরদীপ সিং স্বাধীন শিখ রাষ্ট্র খালিস্তান প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন। বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত ছিলেন এই শিখ নেতা, এমন দাবিও করে ভারত। তবে হরদীপ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে একটি শিখ উপাসনালয়ের বাইরে গত ১৮ জুন হরদীপ সিংকে গুলি করে হত্যা করা হয়।