০৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মার্কিন ভিসা নীতি প্রয়োগে ‘উদ্বিগ্ন নয়’ আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশের জন্য মার্কিন ভিসা নীতির প্রয়োগ শুরুতে ‘উদ্বেগের’ কিছু দেখছে না ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারাবদ্ধ।

নির্বাচন সামনে রেখে একাধিক বাংলাদেশির ওপর নতুন ভিসা নীতি আজ শুক্রবার প্রয়োগ শুরু করেছে আমেরিকা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতায় যারা পড়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন সরকার ও বিরোধী দলীয় রাজনীতিক এবং আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার দায়ে এঁদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ভিসা পাবেন না বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, এঁদের কেউ আমেরিকা প্রবেশ করতে পারবেন না। এমন আরও কাউকে পাওয়া গেলে তাঁদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, বিচার বিভাগের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ওপর।

মার্কিন ভিসা নীতির প্রয়োগ শুরুর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ‘ভিসা নীতি ঘোষণা ও প্রয়োগের একটি অবজেক্টিভ আছে। সেটা হলো, যাতে দেশে একটা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হতে পারে। সুতরাং, এতে আমি মনে করি আমাদের দল, দলের আকাঙ্ক্ষা, আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনার অঙ্গীকার, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার।’

আওয়ামী লীগের এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি না, এই ভিসানীতির জায়গায় আমাদের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বা অতি উৎসাহ প্রকাশ করার কোনো কিছু আছে। এবং কারো জন্যই আমি মনে করি না, অতি উৎসাহিত হয়ে এ বিষয়টিকে কোনো ধরনের নিজেদের মতো করে দেখা ঠিক হবে। প্রচলিত সংবিধান সমন্বিত রেখেই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। এ ব্যাপারে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

এর আগে, এ বছরের ২৪ মে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা করে আমেরিকা। এতে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে দেশটির অব্যাহত নজরদারির বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য যারা দায়ী বা জড়িত, তাঁদের ভিসা দেবে না আমেরিকা।

মার্কিন ভিসা নীতি প্রয়োগে ‘উদ্বিগ্ন নয়’ আওয়ামী লীগ

আপডেট : ০৪:১৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশের জন্য মার্কিন ভিসা নীতির প্রয়োগ শুরুতে ‘উদ্বেগের’ কিছু দেখছে না ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারাবদ্ধ।

নির্বাচন সামনে রেখে একাধিক বাংলাদেশির ওপর নতুন ভিসা নীতি আজ শুক্রবার প্রয়োগ শুরু করেছে আমেরিকা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতায় যারা পড়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন সরকার ও বিরোধী দলীয় রাজনীতিক এবং আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার দায়ে এঁদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ভিসা পাবেন না বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, এঁদের কেউ আমেরিকা প্রবেশ করতে পারবেন না। এমন আরও কাউকে পাওয়া গেলে তাঁদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, বিচার বিভাগের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ওপর।

মার্কিন ভিসা নীতির প্রয়োগ শুরুর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ‘ভিসা নীতি ঘোষণা ও প্রয়োগের একটি অবজেক্টিভ আছে। সেটা হলো, যাতে দেশে একটা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হতে পারে। সুতরাং, এতে আমি মনে করি আমাদের দল, দলের আকাঙ্ক্ষা, আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনার অঙ্গীকার, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার।’

আওয়ামী লীগের এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি না, এই ভিসানীতির জায়গায় আমাদের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বা অতি উৎসাহ প্রকাশ করার কোনো কিছু আছে। এবং কারো জন্যই আমি মনে করি না, অতি উৎসাহিত হয়ে এ বিষয়টিকে কোনো ধরনের নিজেদের মতো করে দেখা ঠিক হবে। প্রচলিত সংবিধান সমন্বিত রেখেই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। এ ব্যাপারে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

এর আগে, এ বছরের ২৪ মে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা করে আমেরিকা। এতে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে দেশটির অব্যাহত নজরদারির বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য যারা দায়ী বা জড়িত, তাঁদের ভিসা দেবে না আমেরিকা।