০৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হবে কক্সবাজার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট : ১০:১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৯৫ দেখেছেন

সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজার হয়ে উঠবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র, এমনটিই জানালেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। চলতি বছরেই ঢাকা ও চট্রগ্রামের সাথে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার। সাগর সংলগ্ন ঝিনুকের আদলে আইকনিক রেল স্টেশন নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করে নেয়া হচ্ছে সাগর পর্যন্ত।

পাহাড় সাগরের মিতালির নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে কক্সবাজারে প্রতিদিন বেড়াতে আসে গড়ে ২০ থেকে ৩০ হাজার দেশী-বিদেশী পর্যটক। ছুটির দিনগুলোতে পর্যটক বাড়ে বহুগুণ।

কক্সবাজারকে আরো আধুনিক আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বর্তমান সরকার। গড়ে উঠেছে বিদেশী পর্যটক জোন সাবরাং টুরিজ্যম পার্ক। পরিকল্পনায় রয়েছে ক্যাবল কার, গলফ মাঠ, সমুদ্র তীরে কিডস জোন করার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। সমুদ্রের নীল জলরাশি পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়ে। যার নির্মাণ ব্যায় ১ হাজার ৯শ কোটি টাকা।

এছাড়া সব ঠিক ঠাক থাকলে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার পর্যন্ত চালু হবে রেল যোগাযোগ। পর্যটকদের আবাসিক ব্যবস্থাসহ আধুনিক সুযোগ সুবিধা রেখেই নির্মিত হচ্ছে ঝিনুকের আদলে নান্দনিক কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশন।

প্রকল্পগুলোর কাজ চলায় অনেক মানুষের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

রেল যোগাযোগ চালু হলে স্থানীয় পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ দুই-ই সাশ্রয় হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হবে কক্সবাজার

আপডেট : ১০:১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজার হয়ে উঠবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র, এমনটিই জানালেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। চলতি বছরেই ঢাকা ও চট্রগ্রামের সাথে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার। সাগর সংলগ্ন ঝিনুকের আদলে আইকনিক রেল স্টেশন নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করে নেয়া হচ্ছে সাগর পর্যন্ত।

পাহাড় সাগরের মিতালির নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে কক্সবাজারে প্রতিদিন বেড়াতে আসে গড়ে ২০ থেকে ৩০ হাজার দেশী-বিদেশী পর্যটক। ছুটির দিনগুলোতে পর্যটক বাড়ে বহুগুণ।

কক্সবাজারকে আরো আধুনিক আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বর্তমান সরকার। গড়ে উঠেছে বিদেশী পর্যটক জোন সাবরাং টুরিজ্যম পার্ক। পরিকল্পনায় রয়েছে ক্যাবল কার, গলফ মাঠ, সমুদ্র তীরে কিডস জোন করার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। সমুদ্রের নীল জলরাশি পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়ে। যার নির্মাণ ব্যায় ১ হাজার ৯শ কোটি টাকা।

এছাড়া সব ঠিক ঠাক থাকলে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার পর্যন্ত চালু হবে রেল যোগাযোগ। পর্যটকদের আবাসিক ব্যবস্থাসহ আধুনিক সুযোগ সুবিধা রেখেই নির্মিত হচ্ছে ঝিনুকের আদলে নান্দনিক কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশন।

প্রকল্পগুলোর কাজ চলায় অনেক মানুষের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

রেল যোগাযোগ চালু হলে স্থানীয় পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ দুই-ই সাশ্রয় হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।