১১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে : চীনের রাষ্ট্রদূত

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আমরা চাই, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর হোক।

আজ রোববার (৮ অক্টোবর) চীনের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে চীনের রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ চায়না সিল্ক রোড ফোরাম এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খান কামাল, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি শাহ আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন চায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো বাংলাদেশের জনগণ নিজেরাই দেখবে। এতে বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা রক্ষা ও উন্নয়ন করতে পারবে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করতে হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে ভালো করবে এবং চীন-বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।

বাংলাদেশের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে : চীনের রাষ্ট্রদূত

আপডেট : ০৩:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, রোববার, ৮ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আমরা চাই, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর হোক।

আজ রোববার (৮ অক্টোবর) চীনের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে চীনের রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ চায়না সিল্ক রোড ফোরাম এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খান কামাল, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি শাহ আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন চায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো বাংলাদেশের জনগণ নিজেরাই দেখবে। এতে বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা রক্ষা ও উন্নয়ন করতে পারবে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করতে হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে ভালো করবে এবং চীন-বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।