১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সরকার এখন শুধু রুটিন কাজ করবে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘যে সরকার আছে তারা রুটিন কাজ করে যাবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাজ করে যাবেন। কোন পলিসি মেকিং হবে না। কোন আইন হবে না।’ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনে প্রভাব পড়ে এমন কোন কাজ বর্তমান সরকার করবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে। তফসিল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিক সরকার ঠিক যেভাবে পরিচালিত হয় সেভাবেই সরকার পরিচালিত হবে। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায়ে রাখতে জনগণকে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো কাজ করবে না সরকার।’

এসময় কোনো নতুন আইন করা হবে কী না? এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু তফসিল ঘোষণার পর আর কোনো সংসদ বসবে না সুতরাং আর আইন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে, বিশেষ কারণে, অত্যন্ত প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করে আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। সুতরাং বলা যায় না যে নতুন আইন হবে না।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ নির্বাচন কমিশন দায়িত্বের সঙ্গে করবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে যেসব সরকারি বিভাগ, সংস্থা, অফিস তাদের প্রয়োজনে কাজ করবে। তবে কমিশনের কাজে বা নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না এমন কাজ করতে পারবে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘বিচার বিভাগ আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়। বিচার বিভাগ স্বাধীন এবং অধীনস্থ যত আদালত আছে সংবিধান অনুযায়ী তারা সুপ্রীমকোর্টের আওতায়। সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতায় চলবে। আইন মন্ত্রণালয় হচ্ছে বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের সেতু বন্ধন।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ সংবিধান অনুযায়ী চলবে। সংবিধানের বাইরে কিছুই করবে না সরকার। সরকার রুটিন কাজ করে যাবে। প্রতিদিনের কার্যক্রম করবে সরকারি কর্মকর্তারা। মন্ত্রি পরিষদের আকার ছোট হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রধানমন্ত্রী। তবে নতুন করে কোন প্রকল্প গ্রহণ করবে করবে না, পলিসি পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না সরকার। অর্থাৎ যা কিছু নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটা দলের পক্ষে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো কাজ করতে পারবে না। তবে উন্নয়ন কাজগুলো চলমান থাকবে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কিংবা পুলিশের বিষয়ে যদি নির্বাচন কমিশনের কিছু বলার থাকে, তারা সে বক্তব্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাবে। যদি সেটা যৌক্তিক হয় তাহলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সে ব্যবস্থা নেবে।’

এর আগে বুধবার (১৬ নভেম্বর) আগামী ৭ জানুয়ারি রোববার ভোটগ্রহণের দিন রেখে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সরকার এখন শুধু রুটিন কাজ করবে: আইনমন্ত্রী

আপডেট : ১২:২৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘যে সরকার আছে তারা রুটিন কাজ করে যাবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাজ করে যাবেন। কোন পলিসি মেকিং হবে না। কোন আইন হবে না।’ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনে প্রভাব পড়ে এমন কোন কাজ বর্তমান সরকার করবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে। তফসিল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিক সরকার ঠিক যেভাবে পরিচালিত হয় সেভাবেই সরকার পরিচালিত হবে। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায়ে রাখতে জনগণকে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো কাজ করবে না সরকার।’

এসময় কোনো নতুন আইন করা হবে কী না? এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু তফসিল ঘোষণার পর আর কোনো সংসদ বসবে না সুতরাং আর আইন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে, বিশেষ কারণে, অত্যন্ত প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করে আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। সুতরাং বলা যায় না যে নতুন আইন হবে না।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ নির্বাচন কমিশন দায়িত্বের সঙ্গে করবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে যেসব সরকারি বিভাগ, সংস্থা, অফিস তাদের প্রয়োজনে কাজ করবে। তবে কমিশনের কাজে বা নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না এমন কাজ করতে পারবে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘বিচার বিভাগ আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়। বিচার বিভাগ স্বাধীন এবং অধীনস্থ যত আদালত আছে সংবিধান অনুযায়ী তারা সুপ্রীমকোর্টের আওতায়। সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতায় চলবে। আইন মন্ত্রণালয় হচ্ছে বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগের সেতু বন্ধন।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ সংবিধান অনুযায়ী চলবে। সংবিধানের বাইরে কিছুই করবে না সরকার। সরকার রুটিন কাজ করে যাবে। প্রতিদিনের কার্যক্রম করবে সরকারি কর্মকর্তারা। মন্ত্রি পরিষদের আকার ছোট হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেবে প্রধানমন্ত্রী। তবে নতুন করে কোন প্রকল্প গ্রহণ করবে করবে না, পলিসি পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না সরকার। অর্থাৎ যা কিছু নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটা দলের পক্ষে প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো কাজ করতে পারবে না। তবে উন্নয়ন কাজগুলো চলমান থাকবে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কিংবা পুলিশের বিষয়ে যদি নির্বাচন কমিশনের কিছু বলার থাকে, তারা সে বক্তব্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাবে। যদি সেটা যৌক্তিক হয় তাহলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সে ব্যবস্থা নেবে।’

এর আগে বুধবার (১৬ নভেম্বর) আগামী ৭ জানুয়ারি রোববার ভোটগ্রহণের দিন রেখে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।