Dhaka ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪, ১২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘নির্বাচনে গণমাধ্যমের কারণেই স্বচ্ছতা দৃশ্যমান হয়েছে’

রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমের কারণেই স্বচ্ছতা দৃশ্যমান হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোববার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নির্বাচন ও জাকির বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, গণমাধ্যমের গুরুত্ব অনেক, এটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যখন সংসদ অকার্যকর থাকে তখন গণমাধ্যম কথা বলে। নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। গণমাধ্যম যে স্বচ্ছতা প্রকাশ করে তা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ঝুঁকি নিতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। তাদের পেশার প্রতি শ্রদ্ধা সবসময়। বিগত নির্বাচনে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা পালন করেছে। নানা চ্যানেল থেকে আমরা তথ্য পেয়েছি এবং সেই মোতাবেক কাজ করেছি।

ইসি মো. আনিছুর রহমান বলেন, গত নির্বাচনে নানা কারণে আমরা চাহিদা মোতাবেক কথা বলতে পারি নাই। তারপরও সাংবাদিকদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি তা অভূতপূর্ব। গত নির্বাচনের রিপোর্টিং ভালো হয়েছে, নেতিবাচক ছিল না বরং এনকারেজিং ছিল।

নির্বাচন ও গণতন্ত্র— বিষয়ে পত্রিকা ক্যাটাগরিতে দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কাজী জেবেল এবং টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে ডিবিসি নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার কাওসারা চৌধুরী কুমু ও বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ইকরাম-উদ দৌলা পুরস্কার পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) প্রয়াত সাংবাদিক হুসাইন জাকিরের নামে পুরস্কারটি এ বছর চালু করে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম, জুরি বোর্ডের সদস্য সাংবাদিক শেখ নজরুল ইসলাম, আশিষ সৈকত ও মহিউদ্দিন জুয়েল, আরএফইডি’র সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুকিমুল আহসান হিমেলসহ সংগঠনটির অন্য সদস্যরা।

‘নির্বাচনে গণমাধ্যমের কারণেই স্বচ্ছতা দৃশ্যমান হয়েছে’

আপডেট : ১০:২২:৩০ পূর্বাহ্ন, রোববার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমের কারণেই স্বচ্ছতা দৃশ্যমান হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোববার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নির্বাচন ও জাকির বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, গণমাধ্যমের গুরুত্ব অনেক, এটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যখন সংসদ অকার্যকর থাকে তখন গণমাধ্যম কথা বলে। নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। গণমাধ্যম যে স্বচ্ছতা প্রকাশ করে তা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ঝুঁকি নিতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। তাদের পেশার প্রতি শ্রদ্ধা সবসময়। বিগত নির্বাচনে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা পালন করেছে। নানা চ্যানেল থেকে আমরা তথ্য পেয়েছি এবং সেই মোতাবেক কাজ করেছি।

ইসি মো. আনিছুর রহমান বলেন, গত নির্বাচনে নানা কারণে আমরা চাহিদা মোতাবেক কথা বলতে পারি নাই। তারপরও সাংবাদিকদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি তা অভূতপূর্ব। গত নির্বাচনের রিপোর্টিং ভালো হয়েছে, নেতিবাচক ছিল না বরং এনকারেজিং ছিল।

নির্বাচন ও গণতন্ত্র— বিষয়ে পত্রিকা ক্যাটাগরিতে দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কাজী জেবেল এবং টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে ডিবিসি নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার কাওসারা চৌধুরী কুমু ও বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ইকরাম-উদ দৌলা পুরস্কার পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) প্রয়াত সাংবাদিক হুসাইন জাকিরের নামে পুরস্কারটি এ বছর চালু করে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম, জুরি বোর্ডের সদস্য সাংবাদিক শেখ নজরুল ইসলাম, আশিষ সৈকত ও মহিউদ্দিন জুয়েল, আরএফইডি’র সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুকিমুল আহসান হিমেলসহ সংগঠনটির অন্য সদস্যরা।