শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ছয় মাসের সাজাপ্রাপ্ত নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনের ২৩ মে পর্যন্ত জামিন মঞ্জুরের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার সকালে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ আউয়াল এ আদেশ দেন।
জামিন প্রাপ্ত গ্রামীণ টেলিকমের ওই তিন শীর্ষ কর্মকর্তা হলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আশরাফুল হাসান, নুরজাহান বেগম ও মোহাম্মদ শাহজাহান।
এর আগে, মঙ্গরবার সকালে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে ড. ইউনূসসহ সাজাপ্রাপ্ত গ্রামীণ টেলিকমের চার কর্মকর্তা স্থায়ী জামিনের জন্য আবেদন করেন। ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন এ আবেদন দাখিল করেন।
গেল ২৮ জানুয়ারি শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলার রায় চ্যালেঞ্জ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনকে জামিন দেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। সেইসঙ্গে শুনানির জন্য আদালত আপিল গ্রহণ করেন। শ্রম আদালতের দেওয়া সাজা সেদিন স্থগিত করেন ট্রাইব্যুনাল।
১ জানুয়ারি শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার জনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। সেসময় প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে আপিলের শর্তে ড. ইউনূসসহ আসামিদের এক মাসের জামিন দেওয়া হয়।
২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসসহ চার জনের বিরুদ্ধে শ্রম ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করা হয়। এরপর ২০২৩ সালের ৬ জুন মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। একই বছরের ২২ আগস্ট শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। যা শেষ হয় ৯ নভেম্বর। সবশেষ গেল ২৪ ডিসেম্বর শুনানি শেষ হয়।
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লভ্যাংশসহ বিভিন্ন অধিকার হরণ ও লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়। এ ছাড়া ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের লভ্যাংশের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলায় ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।