০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উদ্বোধনের ছয় মাস পরেই রাম মন্দিরের ছাদে ফাটল

ভারতের অযোধ্যায় নির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধনের ছয় মাস পরেই ছাদ ফেটে অঝোরে পানি পড়ছে। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি এ মন্দিরের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদি।

রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাসের সূত্রে হিন্দুস্তান টাইমসের সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস বলেন, চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্রের নেতৃত্বে রাম মন্দির নির্মাণ কমিটি এখনও বিভিন্ন চেম্বারে কাজ করছে। যেখানে আরও দেবতাদের স্থাপন করা হবে। এই ইনস্টলেশনগুলো ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেন নবনির্মিত মন্দিরটির ছাদ ফেটে গেছে এবং সেটি সমাধানের দিকে অবিলম্বে মনোযোগ দেয়া উচিত সবাইকে।

এ মন্দির তৈরিতে ব্যবহার করা হয়নি কোনো ইস্পাত। শুধুমাত্র নির্মাণ শৈলীর উপরে ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রায় কুতুব মিনারের সমান উচ্চতার রাম মন্দির। এটি তৈরিতে কাজ করেছেন ভারতের নামকরা সব বিজ্ঞানীরা। সাহায্য নেওয়া হয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোরও।

কিন্তু প্রথম বর্ষাতেই বেহাল অবস্থা রাম মন্দিরের। ছাদ ফেটে পানি পড়ার পাশাপাশি মন্দির প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতার কারণে ইতমধ্যেই ব্যাপক বির্তর্কের জন্ম দিয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

উদ্বোধনের ছয় মাস পরেই রাম মন্দিরের ছাদে ফাটল

আপডেট : ০১:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

ভারতের অযোধ্যায় নির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধনের ছয় মাস পরেই ছাদ ফেটে অঝোরে পানি পড়ছে। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি এ মন্দিরের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদি।

রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাসের সূত্রে হিন্দুস্তান টাইমসের সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস বলেন, চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্রের নেতৃত্বে রাম মন্দির নির্মাণ কমিটি এখনও বিভিন্ন চেম্বারে কাজ করছে। যেখানে আরও দেবতাদের স্থাপন করা হবে। এই ইনস্টলেশনগুলো ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেন নবনির্মিত মন্দিরটির ছাদ ফেটে গেছে এবং সেটি সমাধানের দিকে অবিলম্বে মনোযোগ দেয়া উচিত সবাইকে।

এ মন্দির তৈরিতে ব্যবহার করা হয়নি কোনো ইস্পাত। শুধুমাত্র নির্মাণ শৈলীর উপরে ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রায় কুতুব মিনারের সমান উচ্চতার রাম মন্দির। এটি তৈরিতে কাজ করেছেন ভারতের নামকরা সব বিজ্ঞানীরা। সাহায্য নেওয়া হয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোরও।

কিন্তু প্রথম বর্ষাতেই বেহাল অবস্থা রাম মন্দিরের। ছাদ ফেটে পানি পড়ার পাশাপাশি মন্দির প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতার কারণে ইতমধ্যেই ব্যাপক বির্তর্কের জন্ম দিয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।