০৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো দেশের স্বার্থবিরোধী: ফখরুল

ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো দেশের স্বার্থবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার সকালে খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্য়ালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে করা চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল জানান, স্থায়ী কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে দেশটির সঙ্গে দুটি চুক্তি, পাঁচটি নতুন সমঝোতা স্মারক এবং তিনটি চুক্তি নবায়নসহ ১০টি চুক্তি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব চুক্তিগুলোতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে সভায় বলা হয়েছে, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টনের কোনো চুক্তি না করা, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা বন্ধ না করা, একতরফাভাবে ভারতকে সব সুবিধা প্রদান করায় বাংলাদেশের স্বার্থ ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা মনে করে, কানেকটিভিটির নামে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত রেল যোগাযোগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগের সমঝোতা, কৌশলগত ও অপারেশনাল খাতে সামরিক শিক্ষা সহযোগিতা, ওষুধ সংক্রান্ত সমঝোতা, বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতের অবাধ বিচরণ এবং ভারতের ইনস্পেস ও বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা, রেলমন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা, সমুদ্রবিষয়ক গবেষণায় দুই দেশের সমঝোতাসহ সবগুলো সমঝোতায় বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে। ভারতকে সব ধরনের সুবিধা দিয়েও ভারতের কাছে থেকে বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ আদায় করতে শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। এটা ম্যান্ডেটহীন অবৈধ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বহিঃপ্রকাশ।’

প্রধানমন্ত্রীর সম্প্রতি ভারত সফরে দেশটির সঙ্গে হওয়া সকল চুক্তি বিএনপি প্রত্যাখ্যান করেছে জানিয়ে ফখরুল বলেন, সরকার সব সময় ভারতকে সকল সুবিধা দিলেও, নিজেদের ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে সরকার। তার মুক্তির দাবিতে শিগগিরই কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হবে।

২৮ জুন সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি নিয়ে দলের বিস্তারিত অবস্থান তুলে ধরা হবে বলেও জানান বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো দেশের স্বার্থবিরোধী: ফখরুল

আপডেট : ০৪:১৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো দেশের স্বার্থবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার সকালে খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্য়ালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে করা চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল জানান, স্থায়ী কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে দেশটির সঙ্গে দুটি চুক্তি, পাঁচটি নতুন সমঝোতা স্মারক এবং তিনটি চুক্তি নবায়নসহ ১০টি চুক্তি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব চুক্তিগুলোতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে সভায় বলা হয়েছে, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টনের কোনো চুক্তি না করা, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা বন্ধ না করা, একতরফাভাবে ভারতকে সব সুবিধা প্রদান করায় বাংলাদেশের স্বার্থ ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা মনে করে, কানেকটিভিটির নামে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত রেল যোগাযোগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগের সমঝোতা, কৌশলগত ও অপারেশনাল খাতে সামরিক শিক্ষা সহযোগিতা, ওষুধ সংক্রান্ত সমঝোতা, বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতের অবাধ বিচরণ এবং ভারতের ইনস্পেস ও বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা, রেলমন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা, সমুদ্রবিষয়ক গবেষণায় দুই দেশের সমঝোতাসহ সবগুলো সমঝোতায় বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে। ভারতকে সব ধরনের সুবিধা দিয়েও ভারতের কাছে থেকে বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ আদায় করতে শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। এটা ম্যান্ডেটহীন অবৈধ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বহিঃপ্রকাশ।’

প্রধানমন্ত্রীর সম্প্রতি ভারত সফরে দেশটির সঙ্গে হওয়া সকল চুক্তি বিএনপি প্রত্যাখ্যান করেছে জানিয়ে ফখরুল বলেন, সরকার সব সময় ভারতকে সকল সুবিধা দিলেও, নিজেদের ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে সরকার। তার মুক্তির দাবিতে শিগগিরই কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হবে।

২৮ জুন সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি নিয়ে দলের বিস্তারিত অবস্থান তুলে ধরা হবে বলেও জানান বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।