মিসরে সামরিক সহায়তা পাঠানোয় সবুজ সংকেত দিলো যুক্তরাষ্ট্র

- আপডেট সময় : ১২:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- / ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

মিসরে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামরিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সরকারের চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে উদ্বেগ সত্ত্বেও এ বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। খবর আলজাজিরার।
সাধারণত মার্কিন এই সহায়তার একটি অংশ মিসরকে মানবাধিকার রেকর্ড উন্নত করার শর্তের ওপর নির্ভর করে দেয়া হয়। তবে বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন কংগ্রেসকে জানান, এবার এই সামরিক সহায়তা সেসব শর্তের মুখোমুখি হবে না।
পরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এসব শর্ত ছাড় দেয়া হয়েছে। ওই মুখপাত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তটি আঞ্চলিক শান্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে মিসরের নির্দিষ্ট ও চলমান অবদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত করা, জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা, ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক সহায়তা বাড়ানো এবং ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের স্থায়ী অবসান আনার ক্ষেত্রে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র মিসর। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে দেশটি।
এর আগে ২০২০ সাল থেকে মিসরের নিরাপত্তা সহায়তার একটি অংশ, যা প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ডলার আটকে রাখে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের অগ্রগতির ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করতেই এমন কাজ করে ওয়াশিংটন। তবে বুধবার ব্লিঙ্কেন জানান, এই বছর পুরো অনুদান দেয়া হবে। কারণ রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে মিসর স্পষ্ট ও ধারাবাহিক উন্নতি করেছে।
কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মানবাধিকার সংগঠন বলছে, রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন কমাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি মিসর। বরং সরকার এখনো ব্যাপকভাবে দমনমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।