ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ মার্চ ২০২৫, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রোজার আগেই বেড়েছে বেগুন, শসা ও লেবুর দাম

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় ঢাকায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে এবার রমজানের অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল আছে। সব ধরনের ডালের দাম গত বছরের চেয়ে ১০ থেকে ২০ টাকা কম। তবে বেড়েছে বেগুন, কাঁচামরিচ, শসা ও লেবুর দাম। স্থিতিশীল চিনি, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচসহ সবজির বাজার। তবে সংকট কাটেনি ভোজ্যতেলের।

প্রতি বছর রমজান এলেই ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতা শুরু হয় পণ্যের দাম বাড়ানোর। কোনো কোনো পণ্যের দাম থাকে লাগামহীন। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। এ বছর পণ্যের দাম যেন কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে ক্রেতাদের।

রমজানের আগে রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোলা, চিনি, আদা, পেঁয়াজ, রসুন, মসুর ডালের দাম গত মাসের চেয়ে কমেছে। খুচরায় মসুরের ডাল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, দেশি মুগ ডাল ১৬০ টাকা, খেসারির ডাল ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাদা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকার মধ্যে। পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল আছে। তবে বেড়েছে আদা এবং রসুন দাম কেজিতে ২০ টাকা।

ক্রেতারা জানান, লেবু, বেগুন, কাঁচামরিচের দাম বাড়লেও স্বাভাবিক আছে অন্যান্য সবজির দাম। কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লেবুর ডজন আগে ৮০ টাকায় মিললেও এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে।

বিক্রেতারা জানান, ভোজ্যতেলের বাজারে এখনও আছে কৃত্রিম সংকট। বোতলের সয়াবিন তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই বলে দাবি করছেন তাঁরা।

রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও রমজান মাসকে কেন্দ্র করে শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এসব বাজারে সিম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় আকারের ফুলকপি ৪০ থেকে ৪০ টাকা পিস, বাঁধাকপি বড় সাইজের ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পাকা টমেটো কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, মটরশুঁটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, খিরা ৭০ টাকা ও শসা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধুন্দল ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ টাকা, কচুর লতি ১২০ টাকা, ঝিঙা ও কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে লেবুর হালি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ধনেপাতা ১৪০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৮০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ১৫০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১০ টাকা, কলমি শাক তিন আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৫০ টাকা ও ডাটা শাক ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে আলু ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। নতুন আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বগুড়ার লাল আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আদা প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ২৮০ টাকা, রসুন দেশি ১২০ টাকা, ইন্ডিয়ান ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, খেসারির ডাল ১৩০ টাকা, মিনিকেট চাল ৮২ থেকে ৯০ টাকা ও নাজিরশাইল চাল ৮০ থেকে ৮৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে সোনালি কক মুরগি ৩৩০ টাকায় ও সোনালি হাইব্রিড ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৬০ টাকা করে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে চলতি সপ্তাহে মাছের বাজার চড়া রয়েছে। এসব বাজারে ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ১০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ১ হাজার ৭০০ টাকা, এক কেজি ওজনের ২ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙাস ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা, পাঁচ মিশালি ২২০ টাকা, রূপচাঁদা ১ হাজার ২০০ টাকা, বড় বাইম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, দেশি কই ১ হাজার ২০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে ৮০০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, কাজলি ৮০০ টাকা ও কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস প্রতিকেজি ৬৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস প্রতিকেজি ১ হাজার ১৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এ ছাড়া বাজারে স্থিতিশীল আছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড়সহ বিভিন্ন পণ্যের দাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

রোজার আগেই বেড়েছে বেগুন, শসা ও লেবুর দাম

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় ঢাকায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে এবার রমজানের অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল আছে। সব ধরনের ডালের দাম গত বছরের চেয়ে ১০ থেকে ২০ টাকা কম। তবে বেড়েছে বেগুন, কাঁচামরিচ, শসা ও লেবুর দাম। স্থিতিশীল চিনি, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচসহ সবজির বাজার। তবে সংকট কাটেনি ভোজ্যতেলের।

প্রতি বছর রমজান এলেই ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতা শুরু হয় পণ্যের দাম বাড়ানোর। কোনো কোনো পণ্যের দাম থাকে লাগামহীন। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। এ বছর পণ্যের দাম যেন কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে ক্রেতাদের।

রমজানের আগে রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোলা, চিনি, আদা, পেঁয়াজ, রসুন, মসুর ডালের দাম গত মাসের চেয়ে কমেছে। খুচরায় মসুরের ডাল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, দেশি মুগ ডাল ১৬০ টাকা, খেসারির ডাল ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাদা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকার মধ্যে। পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল আছে। তবে বেড়েছে আদা এবং রসুন দাম কেজিতে ২০ টাকা।

ক্রেতারা জানান, লেবু, বেগুন, কাঁচামরিচের দাম বাড়লেও স্বাভাবিক আছে অন্যান্য সবজির দাম। কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লেবুর ডজন আগে ৮০ টাকায় মিললেও এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে।

বিক্রেতারা জানান, ভোজ্যতেলের বাজারে এখনও আছে কৃত্রিম সংকট। বোতলের সয়াবিন তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই বলে দাবি করছেন তাঁরা।

রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও রমজান মাসকে কেন্দ্র করে শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এসব বাজারে সিম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় আকারের ফুলকপি ৪০ থেকে ৪০ টাকা পিস, বাঁধাকপি বড় সাইজের ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পাকা টমেটো কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, মটরশুঁটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, খিরা ৭০ টাকা ও শসা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধুন্দল ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ টাকা, কচুর লতি ১২০ টাকা, ঝিঙা ও কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে লেবুর হালি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ধনেপাতা ১৪০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৮০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ১৫০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১০ টাকা, কলমি শাক তিন আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৫০ টাকা ও ডাটা শাক ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে আলু ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। নতুন আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বগুড়ার লাল আলু ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আদা প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ২৮০ টাকা, রসুন দেশি ১২০ টাকা, ইন্ডিয়ান ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, খেসারির ডাল ১৩০ টাকা, মিনিকেট চাল ৮২ থেকে ৯০ টাকা ও নাজিরশাইল চাল ৮০ থেকে ৮৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে সোনালি কক মুরগি ৩৩০ টাকায় ও সোনালি হাইব্রিড ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৬০ টাকা করে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে চলতি সপ্তাহে মাছের বাজার চড়া রয়েছে। এসব বাজারে ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ১০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ১ হাজার ৭০০ টাকা, এক কেজি ওজনের ২ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙাস ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা, পাঁচ মিশালি ২২০ টাকা, রূপচাঁদা ১ হাজার ২০০ টাকা, বড় বাইম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, দেশি কই ১ হাজার ২০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে ৮০০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, কাজলি ৮০০ টাকা ও কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস প্রতিকেজি ৬৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস প্রতিকেজি ১ হাজার ১৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এ ছাড়া বাজারে স্থিতিশীল আছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড়সহ বিভিন্ন পণ্যের দাম।