ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫, ১৫ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ব্রাজিলের মতোই ৪-১ ব্যবধানে হেরে বসল পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে
৭১ নিউজ বিডির সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ানকে দল থেকে সরিয়েও ভাগ্য বদল হলো না পাকিস্তানের। অকল্যান্ডে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে দুই শ রান তাড়া করে ম্যাচ জিতলেও সিরিজের বাকি চার ম্যাচের একটিতেও নূন্যতম লড়াই করতে পারেনি পাকিস্তান।

সিরিজ হার আগেই নিশ্চিত হয়েছিল, আজকের ম্যাচটি ছিল নিয়মরক্ষার। সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করেছে নিউজিল্যান্ড। সালমান আলী আঘাদের দেয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য ১০ ওভারেই টপকে যায় স্বাগতিকরা। টিম সেইফার্টের ৩৮ বলে ৬ চার ও ১০ ছক্কায় ৯৭ রানের ইনিংসে ৬০ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে জিতেছে নিউজিল্যান্ড। ওয়েলিংটনের হারে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছেন সালমান আলীরা।

১২৯ রানের ছোট লক্ষ্যে নেমে কিউই দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন পাকিস্তানের বোলারদের তুলোধুনো করেছেন পাওয়ার প্লেতে। জাহানদাদ খানের করা প্রথম ওভারেই ১৮ রান নিয়ে দ্রুত ম্যাচ জয়ের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দেন ওপেনার সেইফার্ট।

সতীর্থের এমন মারকুটে ব্যাটিং দেখে চুপ থাকেননি ফিন অ্যালেনও। দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ আলীর ওভারে দুই চার এক ছক্কায় ১৪ রান নেন অ্যালেন। সেই যে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের শুরু তা আর থামেনি পুরো ম্যাচে।

পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের একের পর এক বাউন্ডারি ছাড়া করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়ে কিউইরা। এর আগে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাউন্ট মাঙ্গানুইয়ে ৬ ওভারে সর্বোচ্চ ৮৬ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ২৩ বলে নিজের ফিফটির দেখা পেয়ে যান সেইফার্ট। এরপর আর নিজের ইনিংসের গতি কমাননি এই ওপেনার। ইনিংসের সপ্তম ওভারে অ্যালেন ১২ বলে ২৭ রান করে সুফিয়ান মুকিমের বলে বোল্ড হলেও বড় কোনো পার্থক্য আসেনি ম্যাচ পরিস্থিতিতে।

এক ওভার বাদে মুকিম মার্ক চাপম্যানকেও সাজঘরের পথ দেখান। তবে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ইনিংসের দশম ওভারে শাদাব খানকে ৪টি ছক্কা মেরে ৬০ বল আগেই স্বাগতিকদের ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সেইফার্ট।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ফের নিজেদের পুরনো ছন্দে দেখা দিয়েছিল পাকিস্তান। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা ওপেনার হাসান নওয়াজ চলতি সিরিজে আজ তৃতীয়বারের মতো ‘ডাক’ মারেন। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জ্যাকব ডাফির বলে ৩ বলে ০ রান করে ফেরেন হাসান।

এই ওপেনারের বিদায়ের পর যেন আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয় পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের। দলীয় ৫২ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে দ্রুত অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। শেষ দিকে শাদাব খানের ২৮ রান ও অধিনায়ক সালমান আলীর ৫১ রানের ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৫ উইকেট নেন জিমি নিশাম।

টি-টোয়েন্টিতে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলেও এখনই শেষ হচ্ছে না পাকিস্তানের এই সফর। আগামী ২৯ মার্চ নেপিয়ারে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে পাকিস্তান। যেখানে ওয়ানডে দলে ফিরছেন বাবর-রিজওয়ান দুজনেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাজিলের মতোই ৪-১ ব্যবধানে হেরে বসল পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ানকে দল থেকে সরিয়েও ভাগ্য বদল হলো না পাকিস্তানের। অকল্যান্ডে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে দুই শ রান তাড়া করে ম্যাচ জিতলেও সিরিজের বাকি চার ম্যাচের একটিতেও নূন্যতম লড়াই করতে পারেনি পাকিস্তান।

সিরিজ হার আগেই নিশ্চিত হয়েছিল, আজকের ম্যাচটি ছিল নিয়মরক্ষার। সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করেছে নিউজিল্যান্ড। সালমান আলী আঘাদের দেয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য ১০ ওভারেই টপকে যায় স্বাগতিকরা। টিম সেইফার্টের ৩৮ বলে ৬ চার ও ১০ ছক্কায় ৯৭ রানের ইনিংসে ৬০ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে জিতেছে নিউজিল্যান্ড। ওয়েলিংটনের হারে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছেন সালমান আলীরা।

১২৯ রানের ছোট লক্ষ্যে নেমে কিউই দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন পাকিস্তানের বোলারদের তুলোধুনো করেছেন পাওয়ার প্লেতে। জাহানদাদ খানের করা প্রথম ওভারেই ১৮ রান নিয়ে দ্রুত ম্যাচ জয়ের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দেন ওপেনার সেইফার্ট।

সতীর্থের এমন মারকুটে ব্যাটিং দেখে চুপ থাকেননি ফিন অ্যালেনও। দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ আলীর ওভারে দুই চার এক ছক্কায় ১৪ রান নেন অ্যালেন। সেই যে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের শুরু তা আর থামেনি পুরো ম্যাচে।

পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের একের পর এক বাউন্ডারি ছাড়া করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়ে কিউইরা। এর আগে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাউন্ট মাঙ্গানুইয়ে ৬ ওভারে সর্বোচ্চ ৮৬ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ২৩ বলে নিজের ফিফটির দেখা পেয়ে যান সেইফার্ট। এরপর আর নিজের ইনিংসের গতি কমাননি এই ওপেনার। ইনিংসের সপ্তম ওভারে অ্যালেন ১২ বলে ২৭ রান করে সুফিয়ান মুকিমের বলে বোল্ড হলেও বড় কোনো পার্থক্য আসেনি ম্যাচ পরিস্থিতিতে।

এক ওভার বাদে মুকিম মার্ক চাপম্যানকেও সাজঘরের পথ দেখান। তবে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ইনিংসের দশম ওভারে শাদাব খানকে ৪টি ছক্কা মেরে ৬০ বল আগেই স্বাগতিকদের ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সেইফার্ট।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ফের নিজেদের পুরনো ছন্দে দেখা দিয়েছিল পাকিস্তান। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা ওপেনার হাসান নওয়াজ চলতি সিরিজে আজ তৃতীয়বারের মতো ‘ডাক’ মারেন। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জ্যাকব ডাফির বলে ৩ বলে ০ রান করে ফেরেন হাসান।

এই ওপেনারের বিদায়ের পর যেন আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয় পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের। দলীয় ৫২ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে দ্রুত অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। শেষ দিকে শাদাব খানের ২৮ রান ও অধিনায়ক সালমান আলীর ৫১ রানের ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৫ উইকেট নেন জিমি নিশাম।

টি-টোয়েন্টিতে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলেও এখনই শেষ হচ্ছে না পাকিস্তানের এই সফর। আগামী ২৯ মার্চ নেপিয়ারে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে পাকিস্তান। যেখানে ওয়ানডে দলে ফিরছেন বাবর-রিজওয়ান দুজনেই।